এখানেও রাজনীতি! বনগাঁর মেয়ে অরুণিতা হারাতে ক্ষোভ উগরে দিলেন বাংলার মানুষ, পবনদীপকে নখের যোগ্য নয় বলে কটাক্ষ

১৫ ই আগস্ট মধ্যরাতে ইন্ডিয়ান আইডল ১২ বিজেতার নাম ঘোষিত হয়েছে। এবার বাংলার মানুষেরা আশা করেছিলেন যে বঙ্গকন্যা অরুনিতা কাঞ্জিলাল এইবারের ইন্ডিয়ান আইডলের জয়ী হবেন। কিন্তু বঙ্গবাসীদের আশায় জল ঢেলে এইবারের বিজেতার ট্রফি পেলেন পবনদীপ রাজন। অরুনিতা দ্বিতীয় স্থান দখল করেছেন। বঙ্গকন্যা এবারের জয়ীর সিংহাসনটি না পাওয়ায় মন ভেঙেছে বাঙ্গালীদের। আর সেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।

ইন্ডিয়ান আইডলের পবনদ্বীপ জয়ী হয়েছে বলে বঙ্গবাসীরা নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিলেন স্বয়ং সোশ্যাল মিডিয়াতে। পবনদীপ রাজনের থেকে অনেক ভালো গান করেন অরুণিতা এনটাই দাবি তাঁদের। এমনকী, কেউ কেউ মনে করেছেন অরুণিতার ১০ শতাংশও যোগ্য নন এই পাহাড়ি পুত্রটি। অনেকে আবার বলেছেন, ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর মঞ্চে মেয়েদের জয় আর কোনওদিনই হবে না, ছেলেরাই সেখানে জিতবে। তবে শুধু বাংলা নয়, বাংলার বাইরের অনেক মানুষও সোশ্যাল মিডিয়ায় আরুণিতার হয়ে আওয়াজ তুলেছেন। তাদের মতে অরুনিতাই পায় এই জয়ের শিরোপাটি।!

কয়েকদিন আগে অরুনিতা এক সাক্ষাৎকারে মাধ্যমে জানিয়েছেন, ‘আমার মতে যাঁরা ফাইনালে উঠেছি সবাই বিজেতা। আমরা যেভাবে দর্শক থেকে শুরু করে বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছে, সেটার কোনও তুলনাই হয় না। সবথেকে বড় কথা আমরা অনেক কিছু শিখেছি। আমাকে অনেকেই গান শুনে বলেছেন আমার আওয়াজ প্লেব্যাকের জন্য এক্কেবারে তৈরি। এর থেকে ভালো পুরস্কার আর কি হতে পারে! আমার তাই মনে হয় কারও হাতে ট্রফি তুলে দেওয়াটা এখন শুধুই একটা ফরমালিটি।’

বহুদিন থেকেই গানের প্রতি ভালোবাসা রয়েছে বঙ্গকন্যার। এর আগেও একবার ইন্ডিয়ান আইডলের অডিশনে দিতে এসেছিলেন অরুনিতা। ছোট থেকেই মেয়ের গানের প্রতি ভালোবাসা জানতে পেরে তাঁর পিতা-মাতারা বাড়িতে প্রশিক্ষক রেখে তালিম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। আর যখন এই লকডাউনের মধ্যে ইন্ডিয়ান আইডলের অডিশনে শুরু হয় তখন অরুণিতার বাবা মায়েরাই পাঠিয়েছিলেন অরুণিতাকে ইন্ডিয়ান আইডলের অডিশন দিতে।