চাপ বাড়ল পাক সরকারের, এবার স্বাধীনতার দাবিতে হাজার হাজার POK এর মানুষ নেমে পড়ল রাস্তায়..

জম্মু-কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ 370 বিলোপ করার পর থেকে এবার সেখানকার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে লেগেছে। আবার অন্যদিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষেরা বিরোধী প্রদর্শন শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। POK এর জনগণ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে পড়েছে।যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন যখন থেকে ভারত সরকার কাশ্মীর থেকে অনুচ্ছেদ 370 বিলোপ করছে তখন থেকে  পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে এটা প্রমাণ করার চেষ্টায় উঠে পড়ে লেগেছিল যে জম্মু- কাশ্মীরের সবকিছু পরিস্থিতি ঠিকঠাক নেই।

তবে জাতিসংঘ থেকে শুরু করে ইসলামিক দেশ গুলি পাকিস্তানের এ কোথায় কান দেয়নি ফলে পাকিস্তানকে অসফলতার সম্মুখীন হতে হয়। বর্তমানে জম্মু- কাশ্মীরের পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। কিছুদিন আগে NSA এর অজিত দোভাল অঞ্চলটি পরিদর্শনেও গিয়েছিলেন এবং সেখানে সরকারি আধিকারিকদের থেকে লাগাতার সেখানকার পরিস্থিতির সম্পর্কে খোঁজ খবর নিয়ে চলেছেন। প্রাপ্ত খবর থেকে জানতে পারা যায় পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনগণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও পুলিশ কর্তৃক সংঘটিত নৃশংসতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিল।

 

আর এখানেই অনেকেই পাকিস্তান থেকে তাদের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদে যোগদান ও দিয়েছিল। আবার অনেককে এটাও বলতে লক্ষ্য করা যায় যে পাকিস্তান অবৈধভাবে তাদের এই অঞ্চল দখল করে নিয়েছে।এমনকি এই প্রতিবাদ কে দমন করতে পাকিস্তান এই অঞ্চলের সব রকম যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্লক করে দিয়েছে এবং মোবাইল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে সেখানকার।পাকিস্তানি পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সাথে বর্বরতার প্রদর্শন করে এবং সেখানে গুলি চালিয়েছে।

শনিবার দিন বিক্ষোভকারী শতাধিক মানুষকে পুলিশ অত্যাচার করে দমন করার চেষ্টা করতে থাকে। সেখান কার প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ আর. কে.সেহগল বলেছেন বালুচিস্তান ও সিন্ধুর মতো সেনাবাহিনী এবার পাক অধিকৃত কাশ্মীর ও সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করতে শুরু করে দিয়েছে। প্রতিনিয়ত সেখানে মানবাধিকার লংঘন করা হচ্ছে।আর অন্যদিকে আরো জানিয়ে দি, 370 অপসারণের পর ভারত সরকারের দ্বিতীয় টার্গেট হচ্ছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর অর্থাৎ POK, আর যেখানকার মানুষ পাকিস্তানের অত্যাচার থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। আর POK এর মধ্যে গিলগিট বাল্টিস্তান ও পড়ে।তবে আরো আপনাকে বলে রাখি গিলগিট বাল্টিস্তান ভৌগলিক দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকা পালন করে।

 

যদি ভারতকে বিদেশী শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হয় তাহলে এই এলাকাটি অন্তত ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা অতি আবশ্যক। তবে শুধু তাই নয় এই অঞ্চলে রয়েছে খনিজ ও কাঁচামালের বিশাল ভান্ডার। আর যার দরুন  চীন ও এই এলাকাটিকে দখল করা পরিকল্পনাও করেছিল।

Related Articles

Close