দেশজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হল যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পরিষেবা..

যত দিন বাড়ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়ে চলছে দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ, আর এই সংক্রমণের হার কমাতে রেলের তরফ থেকে আরও এক বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল, যেখানে ভারতীয় রেলের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবার অনির্দিষ্ট কালের জন্য সমস্ত রকম যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখা হল।এক্ষেত্রে শুধুমাত্র স্পেশাল ট্রেন গুলি ছাড়া আর অন্য কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন চলবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে। এর আগে রেলমন্ত্রকের তরফ থেকে একটি নির্দিষ্ট দিন পর্যন্ত রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা করা হয়েছিল।

 

কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার দিন কোন তারিখ নয় পুনরায় কোনরকম নির্দেশিকা জারি না হওয়া পর্যন্ত রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভারতীয় রেলের তরফ থেকে। গতকাল মঙ্গলবার দিন এ বিষয়ে রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেখানে জানানো হয়েছে নতুন করে আর কোনরকম নির্দেশিকা জারি না করা পর্যন্ত আপাতত ভারতীয় রেলের তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সমস্ত রকম নিত্যদিনের মেল ট্রেন, প্যাসেঞ্জার ট্রেন, লোকাল ট্রেন, এক্সপ্রেস ট্রেন, মেট্রো রেল সমস্ত কিছু বন্ধ রাখা হবে।

এক্ষেত্রে কেবলমাত্র চলবে 230 টি স্পেশাল ট্রেন, তার পাশাপাশি মুম্বাই সরকারের তরফ থেকে অনুরোধে যেসকল নির্দিষ্ট পরিমাণ লোকাল ট্রেন চালানো শুরু হয়েছিল সে সমস্ত গুলি চলবে। যদিও গতকাল দেশজুড়ে রেল পরিষেবা বন্ধ রাখা নিয়ে চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে রেলের একটি চিঠিতে ঘিরে সেই বিভ্রান্তির সূত্রপাত ঘটে।এই চিঠিতে উল্লেখ করা ছিল আগামী 30 সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমস্ত রকম ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখার বিষয়ে, এমনকি সেই চিঠিটি কে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম সংবাদ পরিবেশন করতে শুরু করে দেয় তবে পরবর্তীকালে রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয় তেমন কোনো নির্দেশেকা রেলমন্ত্রকের তরফ থেকে প্রকাশ করা হয়নি। তারপরই শুরু হয় বিভ্রান্তির তবে তখনও রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে নতুন করে কিছু বলা হয়নি।

 

তবে যেমনটা আমরা জানি এর আগে রেলের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার শেষ তারিখ ছিল 12 আগস্ট তবে তার আগেই গতকাল 11 ই আগস্ট মঙ্গলবার রেল মন্ত্রকের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হল 12 ই আগস্ট নয় বরং অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল পরিষেবা বন্ধ রাখার কথা।উল্লেখ্য গত 22 মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশজুড়ে রেল পরিষেবা।তারপরে চলে দেশজুড়ে লকডাউন পরিষেবা যদিও পরবর্তীকালে আনলক প্রক্রিয়া শুরু করা হয় তবে ভারতীয় রেল কোনোরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না দেশজুড়ে রেল পরিষেবা কে শুরু করে। যার দরুন হাতেগোনা কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন ছাড়া বাকি ট্রেন গুলি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।