কারগিল যুদ্ধে যখন পাকিস্তানিরা বিক্রম বাত্রাকে মাধুরী দীক্ষিতকে তাদের দিয়ে দেবার কথা বলে! যার উত্তরে ক্যাপ্টেন দেন এই জবাব

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তি পেয়েছিল দেশাত্মবোধক চলচ্চিত্র “শেরশাহ”। এই সিনেমাতে আমরা অসাধারণ অভিনয় করতে দেখেছি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদ্ভানিকে। বিক্রম বাত্রার চরিত্রে অভিনয় করে আরো একবার সমস্ত ভারতবাসীকে চোখের জল ফেলতে বাধ্য করেছিল অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তবে এই ছবিতে এমন একটি দৃশ্য দেখানো হয়েছিল যা ভীষণভাবে আলোচিত হয়েছিল।

আমরা সকলেই জানি মাধুরী দীক্ষিত ভারতবর্ষের এমন একজন অভিনেত্রী যাকে পাবার জন্য পাগল হয়ে ছিলেন বহু অভিনেতা। অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা আমাদের কারোরই অজানা নয়। তবে হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা এই অভিনেত্রীর সৌন্দর্যের এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সরকার যে একসময় তারা কাশ্মীর পর্যন্ত ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছিলেন মাধুরী দীক্ষিতের বিনিময়ে।

এই ঘটনার একটি দৃশ্যে আমরা দেখতে পেয়েছিলাম শেরশাহ সিনেমাতে।সিনেমাতে একটি দৃশ্য দেখতে পাওয়া গেছে, যেখানে একজন পাকিস্তানী বিক্রম বাত্রাকে বলছে, আমরা মাধুরী দীক্ষিতকে নেব, বদলে দিয়ে দেবো কাশ্মীর। অর্থাৎ কাশ্মীর ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন পাকিস্তানি সেনারা মাধুরী দীক্ষিতের বিনিময়ে। যার উত্তরে শেরশাহ অর্থাৎ বিক্রম বাত্রা কড়া জবাব দিয়ে ওই পাকিস্তানি আর্মি অফিসার কে জানান “এখন মাধুরী দীক্ষিত তার শুটিং কাজে ব্যস্ত আছেন তাই আপাতত আমাদের নিয়েই কাজ চালিয়ে নাও তোমরা”। আর এই বলেই গুলি চালাতে শুরু করেন বিক্রম বাত্রা, যেই গুলির দরুন মৃত্যু ঘটে পাকিস্তানী অফিসারের তারপরেই বিক্রম জানান এই নাও মাধুরীর তরফ থেকে তোমার তোফা।

সিনেমাতে কারগিল যুদ্ধের একটি দৃশ্য দেখানো হয়েছিল। অর্থাৎ ঘটনাটি ঘটেছিল কারগিল যুদ্ধের সময়। কাশ্মীর জয় করার জন্য ভারতীয় সেনার ওপর আক্রমণ করেছিল পাকিস্তানি সেনা কিন্তু ভারতীয় সেনাদের কাছে হেরে যেতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান।

পাকিস্তান হেরে গিয়েছিল ঠিকই কিন্তু ভারত বর্ষ হারিয়েছিল তার প্রিয় সন্তান বিক্রম বাত্রাকে। আজও তাঁর প্রেমিকা তথা তাঁর স্ত্রী স্বামীর সম্মানে বিধবার পোশাক পরিহিত করে জীবন কাটাচ্ছেন।