লন্ডনের রাস্তায় নেমে ভারতের সমর্থনে ‘বন্দেমাতরম’ স্লোগান গাইলেন পাকিস্তানিরা, ভাইরাল ভিডিও..

পাকিস্তানের নাগরিক যদি বন্দেমাতরাম স্লোগান তুলে তাহলে এই বিষয়টি হজম করার মতন বিষয় নয়। কিন্তু বাস্তবে এই ঘটনা শেষ পর্যন্ত ঘটলো। একদিকে করোনা সংক্রমণ আবার অপরদিকে লাদাখে চীনের আগ্রাসন মনোভাব এই দুটো জিনিস মিলিয়ে এই অসম্ভব ঘটনা কে সম্ভব করে তুলল। চীনের বিরোধিতা করার জন্য ভারতের সমর্থনে প্রবাসী পাকিস্তানি নাগরিকরা লন্ডনের রাস্তায় নেমে বন্দেমাতারাম স্লোগান দিতে দেখা গেল। এই অবাক করে দেওয়ার মতন ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়। এই ঘটনা শুনে ভারতীয়রা আনন্দে আত্মহারা।

যদিও আনন্দ হওয়ার বিষয় পাকিস্তানের নাগরিকরা যদি বন্দেমাতারাম স্লোগান দেয়। সম্প্রতি কয়েকদিন আগে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনা জওয়ানদের ওপর হামলা করে চীনের সেনারা। চীনের সেনারা ভারতীয় জওয়ানদের ওপর নৃশংস ভাবে হামলা চালায়। এতে 20 জন ভারতীয় সেনা জওয়ান শহীদ হন। এরপর থেকে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়। ভারত চীন কে কড়া হুঁশিয়ারি দেয় এই ঘটনার পর। চীনের এই আগ্রাসী মানসিকতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে আমেরিকা, ফ্রান্স সহ আরও অন্যান্য শক্তিশালী দেশ গুলি।

চীনের বিরুদ্ধে নানান দেশ গুলির প্রতিবাদ এতটাই বেড়ে যায় যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থিত চীনের দূতাবাসের সামনে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল সেখানকার মানুষেরা। এমনকি চীনের অত্যাচারের ফলে দেশছাড়া তিব্বততিরাও ভারতীয়দের সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছেন চীনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য। আমেরিকা, নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানাডা সহ দেশের আরো অন্যান্য জায়গায় এই একই ঘটনা দেখা যাচ্ছিল। এবার ঘটনাটি ঘটে লন্ডনের চীনা দূতাবাসের সামনে।

সেখানে প্রবাসী ভারতীয়দের সাথে গলা মিলিয়ে ‘বন্দেমাতরম’ স্লোগান দেন প্রবাসী পাকিস্তানিরাও। এই ঘটনা দেখে কার্যত চোখের জল ধরে রাখতে পারছেন না ভারতীয় নেটিজেনরা। লন্ডনের এই বিক্ষোভে একজন প্রবাসী পাকিস্থানের এক মানবাধিকারকর্মী আরিফা আজাকিয়া জানিয়েছেন যে,’ আজ জীবনে প্রথমবার আমি বন্দেমাতারাম স্লোগান দিলাম। চীনের বিরুদ্ধে আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ভারতীয়দের সঙ্গে একসাথে এই শ্লোগান দিলাম। চীন যেটা করছে সেটা অন্যায়। তাই আজ ভারতীয়দের সাথে চীনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হলাম।’