মমতা ‘পাকিস্তান দরদী’! জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে পাক সাংবাদিকের চাঞ্চল্যকর দাবি..

ভারতের পুলওয়ামায় জঙ্গী হামলার পর ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনী গত 26 শে ফেব্রুয়ারি ভোররাতে পাকিস্তান সীমানায় বালুচিস্তানের ঢুকে হামলা চালায় পাকিস্তান জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে।আর তারপরই ভারতীয় প্রশাসনিক সূত্রে দাবি করা হয় সেখানে এই হামলার দরুন কয়েকশো জঙ্গিকে নিকেশ করা সম্ভব হয়েছে।
তবে আরেক দিকে লক্ষ্য করা যায় ভারতে মোদি সরকারের বিরোধী দলগুলি এই নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন তারা বলেন আদৌ কি সেখানে জঙ্গি নিকেশ হয়েছে এই নিয়ে দেখতে পাওয়া যায় অনেক মতবিরোধ।

রাজ্যের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেও দেখা যায় এই নিয়ে প্রশ্ন তুলতে। সেই সময় পাাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ও কয়েকজন ভারতীয় রাজনীতি বীদদের এমন দাবিকে তুলে ধরে। এরপর ফের একবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে উঠে এলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সঙ্গে ছিল প্রশস্তি বাক্য! এক পাক সাংবাদিক তরফ থেকে মমতাকে নিয়ে যে বক্তব্যটি করা হয় সেটি হলো নিম্নরুপ। কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের এক সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা চলছিল।

আর সেই সময় সে’দেশের বিখ্যাত সাংবাদিক মুশাহিদ হুসেন দাবি করে বসেন আমাদের এই ইস্যুকে অর্থাৎ কাশ্মীর ইস্যুকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত এটা আমাদের সাথে ভারতের এক লম্বা লড়াই। যেখানে ভারত একটা বড় দেশ এ দেশের অনেক মানুষই আমাদের জন্য দরদী রয়েছে। সে দেশের অরন্ধতী রায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেস পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি, দলিত পার্টি রা আমাদের দরদী। (ওঁদের) গোটা দেশটা মোটেও মোদীর সঙ্গে নেই।’ তবে এখন প্রশ্ন আসে এই মুশাহিদ হুসেন আসলে কে? তবে কি তিনি শুধু একজন সাংবাদিক অন্য কিছু। তবে আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি এই মুশাহিদ হুসেন শুধু একজন সাংবাদিক হিসাবে বিখ্যাত নন তিনি একজন নামী রাজনীতিবিদ ও পাকিস্তানের জিও স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসাবেও বেশ সমাদৃত ব্যক্তিত্ব।

আর ওনার মুখে এভাবে মমতার প্রশংসা করা প্রশস্তি রীতিমতো প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে। অন্যদিকে কাশ্মীর থেকে 370 ধারা বাতিল হওয়ার পর পাকিস্তান ঠিক করেছে যে গত 14 ই আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের দিন তারা ‘কাশ্মীর সহমর্মিতা দিবস’ হিসাবে পালিত হবে।অন্যদিকে , 15 অগাস্ট যেদিন ভারতের স্বাধীনতা দিবস, সেই দিনটি পাকিস্তানে ‘কালা দিবস’ হিসাবে পালিত হতে চলেছে। তবে যাই হোক পাকিস্তান সর্বদায় কাশ্মীর ইস্যুকে নিয়ে ভারতকে নীচু দেখিয়ে এসেছে এমনকি তারা এই বিষয় কে নিয়ে গেছে রাষ্ট্রীয় তর লেভেলে তবে এখন থেকে তা আর হবে না।

তবে এটা বললে ভুল হবে না যে পাকিস্তান সর্বদায় কাশ্মীর কে ব্যবহার করে এসেছে অর্থাৎ কাশ্মীরে মাধ্যমে তারা তাদের জঙ্গি প্রবেশ করিয়েছে ভারতে। যার ফলে ভারতের হয়েছে অনেক জঙ্গিহানা। তবে এবার থেকে জম্মু- কাশ্মীর ,লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হওয়ার ফলে সে কার্যকলাপ লোপ পাবে, দেশে জঙ্গিহানা কমবে।

Related Articles

Close