বড় খবর:-সেনার হাতে লাগলো বড়সড় সাফল্য,এনকাউন্টারে 2 জঙ্গি সহ খতম পাক জইশ কমান্ডার..

ফের বড়সড়ো সাফল্য হাত লাগলো ভারতীয় সেনা বাহিনীর। শনিবার দিন জম্মু-কাশ্মীরের সুফিয়ানের সিকিউরিটি ফোর্সের এন-কাউন্টারের খতম করা হল জইশ-ই-মহম্মদের কামান্ডার চাঁই সহ দুই জঙ্গিকে।খবর সূত্রে জানা গেছে কাশ্মীরের বহু সাধারণ নাগরিকদের মৃত্যুর পেছনে হাত ছিল বিহারী নামে এক ব্যক্তির যার ভালো নাম মুন্না লাহোরির।খবর সূত্রে আরো জানা যায় এই মুন্না লাহোরি ছিল এক পাক নাগরিক। মুন্না লাহোরী উরফে বিহারী নামে পরিচিত এই ব্যক্তি পাক সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের জইস-ই-মহম্মদে যুবকদের নিয়োগের দায়িত্বে ছিল।

সে আইইডি(বিস্ফোরক) তৈরিতেও দক্ষ ছিল৷ আরও একজন জঙ্গি স্থানীয় বাসিন্দা ছিল, সে লাহোরিকে সাহায্য করত সন্ত্রাস ফেলাতে৷ পুলিশ আধিকারিক সূত্রে পাওয়া খবর অনুসারে জানতে পাওয়া যায় প্রথমে পুলিশ কর্তারা গোপন সূত্রে জানতে পেরে সিকিউরিটি ফোর্স সোপিয়ানের ওই এলাকাটিকে ঘিরে ফেলে এবং তল্লাশি অভিযানে নামে তারা।এই অভিযানের দরুন জঙ্গিরা গুলি ছুঁড়তে শুরু করলে পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীরাও। তারপরই ঘটনাস্থলে এনকাউন্টারের খতম করা হয় তিন জঙ্গিকে।পরে সেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয় বহু অস্ত্রশস্ত্র ও।


অপরদিকে দীর্ঘ 17 বছর পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হল অক্ষরধাম মন্দিরে জঙ্গি হামলার মূল অভিযুক্ত।গত শুক্রবার দিন কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে অনন্তনাগ থেকে আহমেদাবাদ নিয়ে যায় গুজরাট পুলিশের জঙ্গি দমন শাখার একটি দল। এবার অভিযুক্ত মহম্মদ ইয়াসিন ভাটকে তুলে দেওয়া হবে গুজরাট পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে। তার বিরুদ্ধে হামলাকারীদের অস্ত্র-বোমা সরবারহের অভিযোগ রয়েছে একাধিক।বহুদিন ধরে এই ইয়াসিনকে গ্রেফতার করার জন্য একাধিক তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ অবশেষে মিলল সেই সাফল্য। 2002 সালের 24 শে সেপ্টেম্বর অক্ষরধাম মন্দিরে হামলা চালায় একটি জঙ্গি সংগঠন। নির্বিচারে গুলি চালায় তাদের 2 জঙ্গি।

আর এই গুলিতে মৃত্যু হয় এক এনএসজি কমান্ডো সহ 30 জনের আর এর ফলেও আহত হয়েছিলেন বেশ কয়েকজনও। আর পাক হামলার পর থেকেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের চলে গিয়েছিল ইয়াসিন।কাশ্মীরে রই বাসিন্দা ইয়াসিন। তখন থেকেই চলছিল তাঁর তল্লাশি অবশেষে পুলিশ গোয়েন্দা সূত্রে খবর পায় এত দিনে ঘরে ফিরেছে সে। আর তারপরই গোপনে তল্লাশি চালিয়ে গুজরাটের এটিএস শুক্রবার অনন্তনাগ থেকে তাকে গ্রেফতার করে।