যুদ্ধ করলে পাকিস্তানের অর্থনৈতি ব্যবস্থা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে, জানালেন অর্থনীতিবিদরা।

গতকাল ভারতীয় বায়ুসেনার পাকিস্তানের মাটিতে হামলার খবর আসতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল পাকিস্তানের শেয়ার মার্কেট ব্যবস্থা। আর আজও সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারল না তাদের শেয়ার মার্কেট ব্যবস্থা। আজ বাজার খুলতেই হুড়মুড়িয়ে 1300 পয়েন্টে পড়ে গেল কেএসে সূচক দাঁড়ায় 37,531 তে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর মঙ্গলবার অর্থাৎ গতকাল 785 পয়েন্টে পতন হয়‌, যা গত দু’মাসে রেকর্ড বলে মনে করা হচ্ছে।আজ সকালে ভারতের শেয়ার বাজারের সবুজ ঝড় দেখা দিলেও নিয়ন্ত্রণরেখা লংঘন করে ভারতের আকাশে পাক বিমান ঢুকে পড়ার খবর আসতে শুরু হয় দালাল স্ট্রিটে। সকালের যে পয়েন্ট 300 ঊর্ধ্বমুখী সেনসেক্স ছিল তা এখন 130 পয়েন্টে দাঁড়িয়ে গেছে।

 

তবে গতকাল ভারতের ও শেয়ার বাজারে পতন দেখা গিয়েছে। গতকাল বাজার খুলতেই 500 পয়েন্ট এর পরে যায় সেনসেক্স। এমনকি দিনভর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের উত্তেজনা বাড়াতে দুই সূচকের হৃদকম্পন ত্বরান্বিত হয়। তবে অর্থনীতিবিদ দের মতে গতকাল শুধু ভারত পাকিস্তানী নয় জাপানের নিকি,কোরিয়ার কসপি, হংকং এর হ্যাংস্যাং সহ এশিয়া সূচকগুলো তেও মন্দা দেখা যায়।এমনকি প্রতিবেশী দেশের দুই রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অস্থিরতা দেখে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দ্রুত শেয়ার বিক্রি করতে থাকেন। ডলারের নিরিখে টাকার দাম ও পড়ে যায়। তবে শুধু এই নয় অর্থনীতি বিদেরা মনে করছেন যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে দুই দেশেরই অর্থনীতি ব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙ্গে পড়বে। তবে এতে ক্ষতি ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের ই বেশী হবে কারণ পাকিস্তান গোলা অব্দি ঋনে ডুবে রয়েছে।আর সেটা এর আগেও ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও নিজের মুখে মেনে নিয়েছেন চীন,সৌদি আরব দেশগুলো থেকে ঋণ নিয়েছেন অর্থনীতি চাঙ্গা করার লক্ষ্যে ইমরান।

আর এই মুহূর্তে পাকিস্তানের মূল্যবৃদ্ধি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যুদ্ধের পথে হাঁটলে ইমরানের দেশ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে এক্ষেত্রে ভারতে সেরকম প্রভাব পড়বে না বলে দাবি অর্থনীতিবিদ দের।