ভারতীয় সেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের ভয়ে সীমান্ত থেকে লঞ্চ প্যাড সরালো পাকিস্তান..

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনার পর সারা দেশজুড়ে বদলার দাবি তুলছে সবাই। সারা দেশের মানুষ চাইছে ফের আরেকবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হোক পাকিস্তানে। সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের আশঙ্কা করছে পাকিস্তানও। আর তাই পাকিস্তান সেনা সীমান্ত লাগোয়া সমস্ত জঙ্গি খাঁটি গুলি তড়িঘড়ি সরিয়ে নিল। উরির হামলার পর আচমকা পাক সীমান্তে ঢুকে তাদের সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটি গুলি গুঁড়িয়ে দিয়ে আসছে ভারতীয় সেনা। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম এত বড় জঙ্গি হামলায় 14 ই ফেব্রুয়ারি কাশ্মিরের পুলওয়ামায় 40 জন সিআরপিএফ জাওয়ান শহীদ হয়েছেন। এই আত্মঘাতী হামলার দায় স্বীকার করেছে পাক মদতপুষ্ট জইশ জঙ্গিরা । এই ঘটনার পর থেকে সারা দেশজুড়ে বদলার আগুন জ্বলছে। সবাই চাইছে বদলা নেওয়া হোক।

এই ঘটনার পর ভারত চুপ করে বসে থাকবে না তা খুব ভালভাবেই বুঝতে পারছে পাকিস্তান। পাকিস্তান মনে করছে আরেকবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে পারে ভারত। এমনটা হয়েছিল 2016 সালের উরি হামলার পর। আড়াই বছর আগে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শিক্ষা নিয়ে আগাম ব্যবস্থা নিল পাকিস্তান। ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্যে প্রথম ধাপ হলো সীমান্ত লাগোয়া সমস্ত জঙ্গি খাঁটি গুলি সরিয়ে নেওয়া। পাকিস্তান সীমান্ত লাগোয়া এই জঙ্গী ঘাঁটি গুলি তৈরি করে কারণ জঙ্গিদের যাতে ভারতে পাঠিয়ে দিতে সুবিধা হয়।পাকিস্তান যে সমস্ত জঙ্গী কাঁটাগুলো সরিয়ে নিচ্ছে তা নানান দিক থেকে প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। সীমান্তের ওপারে পাকিস্তানি জঙ্গিরা’ ভারতীয় সীমান্তের ঢোকার জন্য সুযোগ খুঁজে।  সেনা সুত্রে খবর পাওয়া যায় যে, ওপারে এখনো পর্যন্ত জঙ্গিদের কোনো আসা যাওয়ার খবর মেলেনি। সীমান্তের ওপারে জঙ্গিদের ঘাঁটি গুলি আর দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।এখন ভারতীয় সেনা যদি বদলা নিতে চাই তাহলে সেটা হবে পাকসেনার একদম মুখোমুখি।

তবে আমাদের কাছে এখন একটাই বিকল্প পড়ে থাকল যেটা হল পাক ছাউনি গুলিকে আক্রমন করা তবে এটি আক্রমণ করলে পাকিস্তানের সাথে সরাসরি যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রে খবর পাওয়া গেছে পাকিস্তান জঙ্গি হামলার পর জবাবই পদক্ষেপের জন্য তারা আতঙ্কিত হয়ে আছে যার দরুন তারা তাদের জঙ্গি বেসমেন্ট গুলিকে সরিয়ে নিয়েছে। সূত্র অনুসারে আরও জানতে পারা গেছে, আনুমানিক 50-60 শীতকালীন পাক সেনা ছাউনি যেগুলো প্রতি বছর শীতের পর খালি করা হয়ে থাকে, সেখানে এখনো পাক সৈন্য আছে। আপাতত ওরা সংখ্যায় কত সেটা এখনো অনুমান করা যায় নি।