POK জনগণের দাবি নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় পড়ে POK তে সেনা বৃদ্ধি করছে ইমরান খানের সরকার

একেই মোদী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে তারপর আবার অমিত শাহ পুরোপুরি অ্যাকশেন মুডে রয়েছেন। এর ফলে রীতিমতো চাপে রয়েছে পাকিস্তান। ভবিষ্যতে পাকিস্তানের অবস্থা আরো খারাপ হবে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। শুধুমাত্র এটাই নয় পাকিস্তান দেশটি পুরোপুরি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বার বার অপমানিত হয়ে যাচ্ছে তবুও পাকিস্তান নিজেদের কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে যাতে তারা ফের অপমানিত হয়।

এই বিষয়টিকে নিয়ে পাকিস্তান প্রত্যেকবার আন্তর্জাতিক মহলে নিয়ে যাচ্ছে এবং তারা ঠিক প্রমান করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে পাকিস্তান সরকারের এখন একটাই ভয় হচ্ছে যে, POK তাদের হাত থেকে চলে যেতে পারে। তাই POK ইস্যু টি পাকিস্তানের চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। POK এর জনগন এবার পাকিস্তানের থেকে আজাদি চাইতে শুরু করছে। এবং এই প্রতিবাদ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ফলে পাকিস্তান এখন চারিদিক থেকে কোনঠাসা হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে আবার পাকিস্তান সরকার বলছে এদের দাবি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাবে না। আর তাই POK এর জনগণের ওপর নানা রকম নিষেধাজ্ঞা জারি করতে শুরু করে দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের লোকজনদের সায়েস্তা করার জন্য পাকিস্তান সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু এতদিন পাকিস্তান দাবি করত পাক অধিকৃত কাশ্মীর সম্পূর্ণ স্বাধীন। কিন্তু বর্তমানে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মানুষদের পাকিস্তান সরকার সম্পূর্ণ নিজেদের দাপটে রাখার চেষ্টা করছে।

নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে অনুসারে, POK তে যত দিন যাচ্ছে আন্দোলন ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এর ফলে ভারত POK দখল করে নিতে পারে এই সন্দেহ জুড়ে পাক সরকার ওখানে পাক সেনার সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। সুব্রামানিয়াম স্বামি বলেছেন আগামী এক বছরের মধ্যে ভারতের সাথে POK যুক্ত হবে। ভারতকে বিদেশি আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এই অঞ্চলটি ভারতের সাথে যুক্ত হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। শুধু এটাই কারণ নয় এই অঞ্চলে কাঁচামাল ও খনিজ পদার্থের বিশাল ভাণ্ডার রয়েছে।

তাই ওই এলাকাটি চীন দখল করার পরিকল্পনা করছিল। POK ভারতের হাতে চুপচাপ তুলে দিলে পাকিস্তান যুদ্ধ থেকে বেঁচে যাবে বলে মত প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অর্থাৎ পাকিস্তান যদি অঞ্চলটি ভারতকে না দিতে চায় তাহলে সেনা দ্বারা বলপূর্বক ওই অঞ্চলটি ভারতের করে নেওয়ার এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।