মোদি সরকারের পরমাণু অস্ত্র ভান্ডারকে ভয় পাচ্ছে পাকিস্তান, সতর্ক করলেন গোটা বিশ্বকে..

পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের কাছেই বলুন বা আমেরিকার কাছেই বলুন না কেনো সাহায্য পাননি। কয়েকদিন আগে ইমরান খান ভারতকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারিও পর্যন্ত দিয়েছেন। কিন্তু রাজনাথ সিং যবে থেকে বলে দিয়েছেন যে, প্রয়োজন পড়লে পরামানু নীতিতে রদবদল ঘটাতে পারে ভারত তবে থেকে ইমরান খান চুপ করে গেছেন। রাজনাথের এমন মন্তব্যে পরেই পাক বিদেশ মন্ত্রী জোর গলায় হুঁশিয়ারি দিয়ে ছিলেন।

এরপর ইমরান খান টুইট করে ভারতের সম্ভাব্য পরমাণু যুদ্ধের কথা বলেন। শুধু এটাই না এ নিয়ে সমস্ত বিশ্বকে সতর্ক হতে বলেছেন ইমরান। তার ধারণা যে, কাশ্মীর থেকে গোটা বিশ্বের নজর ঘোরাতে ভারত পরমাণু হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। কার্যত যবে থেকে 370 ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে সেদিন থেকে কাশ্মীর নিয়ে মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে গেছে পাকিস্তানের।পাকিস্তান প্রায় প্রত্যেক দিনে কিছু না কিছু বার্তা দিচ্ছে এখন। রবিবার ফেরাবার কাশ্মীর ইস্যুতে কতগুলি টুইট করেন ইমরান খান।

টুইটে লিখেন, ” ভারতের পরমাণু অস্ত্র ভান্ডার থেকে বাকি দেশগুলো কতটা নিরাপদ তা অন্যান্য দেশ গুলিকে ভাবা উচিত। কারণ এটি একটি এমন বিষয় যেটি শুধু এই অঞ্চলে নয় গোটা বিশ্বের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।” এর পাশাপাশি তিনি আরো লিখেন ভারতের প্রায় 40 লক্ষ মুসলিম নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে। তিনি এও বলেন, আরএসএসের গুন্ডাগিরি বাড়তেই থাকে দিনের পর দিন। শনিবার পাক বিদেশ মন্ত্রী বলেছিলেন,’ নেহেরুর ভারতকে কবর দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদী।’ রবিবার ইমরান খান বলেন, নেহেরু-গান্ধীর ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার হচ্ছে এখন। এর আগে মেজর জেনারেল গফুর মন্তব্য করেন, ভারত জোর করে যুদ্ধ বাঁধানোর চেষ্টা করতে পারে। তাই সেই দিকটা মাথায় রেখে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় প্রচুর পাক সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এছাড়াও পাক বিদেশমন্ত্রী কুরেশি জানান, কাশ্মীরের পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে বিশেষ কাশ্মীর সেল খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। কুরেশি বলেন,” কাশ্মীরের পরিস্থিতি সম্পর্কে যাতে গোটা বিশ্ব জানতে পারে তার জন্য পাক দূত নিয়োগ করা হবে।

Related Articles

Close