এবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর দাঁড়ি মারলেন পাক সরকার ইমরান খান, ক্ষিপ্ত সেখানকার জনগণ

পাকিস্তান আজকাল দুটি কারণে আলোচনার মধ্যে রয়েছে।কাশ্মীর ইস্যুতে দেশ-বিদেশে হোঁচট খাওয়ার পর পাকিস্তান এখন শিরোনামে প্রথম কারণ বিভিন্ন দেশে তারা এত চেষ্টাও করেও সহায়তা পাচ্ছে না, আর দ্বিতীয়তঃ কারণ হচ্ছে দারিদ্র্য ও দারিদ্রতার জন্য পাকিস্তানের ঝামেলা।লক্ষ্য করা যাচ্ছে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার ফলে সেখানকার সাধারণ মানুষ অনেক সমস্যায় পড়ছে।পাকিস্তানের অবস্থা দিন দিন খারাপ হয়ে চলেছে এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান অর্থনৈতিকভাবে ঢুকতে থাকা পাকিস্তানকে টেনে তুলতে এক কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন।

আর তার ফলে সেখানকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সকলেই তার উপর চটে গেছেন। তবে আর দেরি না করে আপনাদের বলা যাক কি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি, পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের নেওয়া পদক্ষেপ গুলি হল নিম্নরূপ তাদের বিভিন্ন সরকারি বিভাগে নতুন কোন কর্মীপদ নিয়োগ না করা, কোনরকম নতুন গাড়ি না কেনা, এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলির উপর দাড়ি টানা। সম্প্রতি বাজেটের কাটছাঁট করে 2019 থেকে 2020 অর্ধ বর্ষের জন্য দেশবাসীর প্রতি নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে পাক সরকার।


এই নিয়ে দেশবাসীদের মধ্যে মতবিরোধ থাকলেও ইমরান খান তার পদক্ষেপ থেকে এক পা ও নড়তে নারাজ।ইতিমধ্যেই সেখানে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে চাকরির ক্ষেত্রে কোনো নতুন পদে কাউকে নিয়োগ করা যাচ্ছে না। শুধু কোনো উন্নয়নমূলক প্রকল্পে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তবেই সেখানে নতুন কোনো কর্মী নিয়োগ করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া সেখানে বলা হয়েছে বাইক ছাড়া নতুন বা পুরোনো কোন রকম গাড়ি কেনা বেচায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি।

শুধু তাই নয় উচ্চপদস্থ অফিসারদের জন্য বরাদ্দ সংবাদপত্র পত্রিকার সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে মাত্র একটি করা হয়েছে তার সংখ্যা। এছাড়া সেখানকার প্রধান অর্থ অধিকার ঠিক করবেন বিদ্যুৎ, গ্যাস ,টেলিফোন ইত্যাদির মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পরিষেবাকে কতটা পরিমাণে করে দেওয়া যাবে সেখানকার গ্রাহকদের। সম্পত্তি কেনা বেচা মেরামতি সহ এই ধরনের নানা গতিবিধির ওপর নজরদারি চালাবে সেখানকার পিএও-রা।শুনে হাসি লাগলেও তবে সেখানে কোনো সরকারই যোগাযোগের জন্য একটি পৃষ্টার দুটি দিকই ব্যবহার করতে হবে এমনটাই বলা হয়েছে।এছাড়া কিছুদিন আগে থেকেই সেখানে যে কোনো সরকারি অনুষ্ঠানে চা-কফি বিস্কুট দেওয়া ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দিয়েছে পাক সরকার। এনিয়ে বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের তাদের বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক আর্থিক তহবিল বা আইএমএফের অনুযায়ী বাজেট ঘাটতির ক্ষেত্রে ইমরান খান সরকারের প্রধান চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 2018 সাল থেকে 2019 সালে অর্থবর্ষে পাকিস্তানের বাজেট ঘাটতি চরম মাত্রায় পৌঁছে ছিল।সেই ঘাটতি পূরণে পাক সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। তাই এবার যেনতেন প্রকারে দেশের অর্থনীতিকে টেনে তুলে ভালো করতে চাইছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। যার দরুন সেখানকার দেশবাসীর ক্ষোভের শিকার হতে হয়েছে পাক সরকারকে।শুধু তাই নয় পাকিস্তানের এরকম আর্থিক অবস্থা সঙ্কটের মুখে দেখে গত বছর থেকে তাদের পরম বন্ধু চীন ও পাকিস্থানে বিনিয়োগের পরিমান অর্ধেক করে দিয়েছে। যার কারণে পাকিস্তান দিনদিন সমস্যার মুখে পড়ছে।