জনি সিন্সের পর্নো ছবির দৃশ্য দেখিয়ে কাশ্মীরিদের জন্য দুঃখ প্রকাশ, বিপাকে প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রদূত..

যেদিন থেকে কাশ্মীরের 370 ধারা তুলে নেওয়া হয়েছে সেই দিন থেকে আন্তর্জাতিক মহলে দৃষ্টিশক্তি আকর্ষণ করার চেষ্টায় পড়ে আছে পাকিস্তান। আর এ কাজ করতে গিয়ে তারা গোটা বিশ্বের কাছে বারবার অপমানিত হচ্ছে। পাকিস্তান প্রমাণ করতে চাইছে যে কাশ্মিরিদের জন্য তারা নাকি খুবই উদ্বিগ্ন। কাশ্মীরিদের জন্য তারা এতটাই উদ্বিগ্ন যে ভুয়া ছবি দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করতে তাদের কোনো সমস্যাই নেই।পাকিস্তানের প্রকাশ করা ছবি এর আগেও রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়েছে আর এবারও হলো।

তবে এবার যা ঘটনা ঘটেছে তাতে পাকিস্তান মুখ লুকোবার জায়গা পায়নি। ভারতে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল বসিত এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। সম্প্রতি তার করা একটি টুইট কে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গেছে। কী করেছেন তিনি? সোমবার আব্দুল বসিত অমর নামের একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে টুইট করেন তিনি। এই টুইটটা একটি নীলছবির দুনিয়ার তারকা আরেকটি ছবি পোস্ট করেন, আর তাতেই গোটা সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।

শুধু এটাই নয় ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেন, কাশ্মীরে ভারতীয় সেনার প্যালেট গানের গুলিতে নিজের দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। হাস্যকর বিষয় হলো উল্লেখ্য যে পর্নস্টারের ছবি তিনি পোস্ট করেছিলেন তার নাম হলো জনি সিনস। স্বাভাবিকভাবেই এই পোস্ট করার পরেই নেট দুনিয়ায় তাকে নিয়ে ট্রোল করা শুরু হয়ে যায়। আব্দুল বসিরের এই ভুল পাকিস্তানের এক সাংবাদিক নাইলা ইনায়ত ধরেন। তিনি বেশ কটাক্ষ করে পাকিস্তানের প্রতিনিধি করা এই পোষ্টের পাল্টা উত্তর দেন।

ইনায়েত পাক প্রতিনিধির ওই ভুয়া পোষ্টটির উত্তরের যে স্ক্রিনশটটি পাঠিয়ে ছিলেন তাতে দেখা গিয়েছে আব্দুল বসিত জনি সিনসের ছবি দিয়ে রি-টুইট করেন এবং তাতে লিখেন ইনি অনন্তনাগের বাসিন্দা ইউসুফ। যার দৃষ্টি শক্তি নষ্ট হয়েছে ভারতীয় সেনাদের প্যালেট গানের গুলিতে। এ বিষয়ে সমস্ত পাকিস্তানিদের একসাথে সরব হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি কয়েক মাস আগেই কাশ্মীর থেকে 370 ধারা তুলে নিয়েছে ভারত সরকার। আর এরপর থেকে কাশ্মীরের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করে আসছে ইসলামাবাদ। কিন্তু সেই অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন তা মেনে নিয়েছেন খাওয়ার কুরেশি।

খাওয়ার কুরেশি বলেন, ” কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করার জন্য সঠিক প্রমাণ নেই পাকিস্তানের কাছে। ফলে আন্তর্জাতিক নাই আদালতে এর মামলা করা প্রায় অসম্ভব।”