ভারতের জন্য ক্রমশ বাড়ছে চিন্তার বাদল!তালিবানের মাথা চাড়ার পেছনে রয়েছে পাক ও চীনের হাত, বিস্ফোরক মন্তব্য কর্নেল চন্দ্রের

জ্বলছে আফগানিস্থান। বিশ্বের প্রথম সারির কোন কোন দেশ পক্ষে-বিপক্ষে এই নিয়ে চলছে জোর তরজমা। এমত অবস্থায় ভারতের পক্ষে কতটা ক্ষতিকারক হতে পারে তালিবান উত্থান এই নিয়ে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ভারতীয় সরকারের। আফগানিস্তানের আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি খুবই খারাপ। সাধারণ মানুষের প্রাণ বিপন্ন। নারীরাও চরম ভোগান্তির শিকার। কাতারে কাতারে দেশ ছাড়ছেন সেখানকার মানুষ, কাবুল বিমানবন্দরে বিমানে ওঠার জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছে বিমানের চাকায় কখনোবা বিমানের ইঞ্জিন এর উপর চাপতে দেখা যাচ্ছে জনসাধারণ কে।

চীন এবং পাকিস্তান স্বীকৃতি দিয়েছে তালিবান সরকারের । ভারতীয় সরকারের কপালে চিন্তার ভাঁজ। তালিবান সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে পারে ভারত সীমান্তে। আল-কায়েদার মত জঙ্গিগোষ্ঠী ফের মাথাচাড়া দিতে পারে। কর্নেল চন্দ্রের মতে বরাবরই তালিবানদের সাথে দিয়ে আসছে পাকিস্তান ও চীন, তা না হলে তালিবান একা কখনোই সার্ভাইভ করতে পারত না যদিনা ক্রমাগত এদের সাপোর্ট পেত । আর্থিক দিক থেকেও সাহায্য পেয়ে আসছে তালিবানরা তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পক্ষে কখনোই সম্ভব নয় তালিবানদের আর্থিক ভাবে সাহায্য করা । সে ক্ষেত্রে আর্থিক সাহায্য মিলছে চীনের পক্ষ থেকে একথা নিশ্চিত।

পাকিস্তান সরাসরি ভারতের বিরুদ্ধে কিছু করতে চাইছে না সে ক্ষেত্রে তালিবান মাধ্যমে ভারতকে ক্ষতি করতে চাইছে।কর্ণেল চন্দ্রের কথায় আমরাও প্রস্তুতি নিচ্ছি এত সহজে কিছু করা যাবে না। তথ্যসূত্রে জানা যায় পাকিস্তানের ইমরান খান মন্তব্য করেন “আফগানিস্তান তালেবানদের হাত ধরে পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে বেরিয়ে আসতে পাচ্ছে ” এই মন্তব্য ভারতের জন্য সত্যিই চিন্তার বিষয়। যদিও রাশিয়া এখনও স্পষ্ট ভাবে তালিবানদের স্বীকৃতি দিচ্ছে না।

অবসরপ্রাপ্ত সেনা প্রধান জেনারেল শঙ্কর রায় চৌধুরী বলেন, তালিবান হল পাকিস্তানের প্রক্সি। ভারতের বিরুদ্ধে আক্রমণের জন্য পাকিস্তান-তালেবান কে ব্যবহার করছে । এখন চিন্তার বিষয় কাশ্মীর কে নিয়ে । কারণ পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য কাশ্মীর হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমাদের কাশ্মীরকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। যদিও আফগানিস্তানের সাধারণ মানুষের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সহানুভূতি আছে দরকার হলে সবরকম সাহায্য আশ্রয় আমরা দেবো।