নতুন খবররাজনৈতিকরাজ্য

লোকসভা নির্বাচনের আগে বিপাকে পড়তে চলেছে যোগীর সরকার, যোগীর রাজ্যে 40 লক্ষ সরকারি কর্মচারীর ধর্মঘটের ডাক।

গতকাল যোগী আদিত্যনাথ পুরুলিয়া জনসভা থেকে চাঁচাছোলা ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে আক্রমণ করতে শুরু করেন।এই আক্রমণের মূল বিষয় হলো কলকাতা পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই এর হানা কে কেন্দ্র করে মোদি সরকার এবং রাজ্যের মধ্যে ঘটা সংঘর্ষটিকে কেন্দ্র করে। কিন্তু এবার নিজের রাজ্যেই বিপাকে পরলেন যোগী আদিত্যনাথ। তারই সরকারের সঙ্গে সরকারি কর্মীদের সংঘাত এলো এবার প্রকাশ্যে। তারই রাজ্যে সরকারি কর্মীরা যোগী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষেপে উঠেছেন।বুধবার থেকে রাজ্যে 40 লক্ষ সরকারি কর্মচারী ধর্মঘটে সামিল হতে চলেছেন এই ধর্মঘট চলবে এক সপ্তাহ ধরে।

এর ফলে ব্যাহত হতে পারে গত সাতদিন সরকারি কাজকর্ম ব্যাহত থাকবে অন্যান্য পরিষেবা ও।যদিও এ বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে সরকারি কর্মীদের, তাদের জানানো হয়েছে ধর্মঘটে সামিল হলে হতে পারে তাদের চরম শাস্তি।যদিও রাজ্যের কোনো কথাতে কান দেয়নি সে সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের সিদ্ধান্তে তারা অটল। তবে আপনাকে বলে দি যোগী সরকার বিরুদ্ধে ধর্মঘটে যাওয়ার রাস্তা কেন বেছে নিলেন এই সরকারি কর্মীরা। সংবাদ মাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে  তারা জানান যে সরকারি কর্মীরা চাইছেন পুরনো পেনশন স্কিম ফিরে আনুক সরকার সেই সঙ্গে তাদের একগুচ্ছ দাবি দাবা ও রয়েছে তাদের সরকারের পক্ষে।আপনাদের জানিয়ে রাখি সরকারি কর্মচারীদের নানা সংগঠন থেকে ধর্মঘট কে সমর্থন জানানো হয়েছে বুধবার থেকে পরিবহন ও সরকারি অধিকারী এক সপ্তাহের জন্য ধর্মঘটে বসবেন বলে  জানিয়েছেন।

ফলে গত সাতদিন রাজ্যে সংকটের সৃষ্টি হতে পারে তার সামনেই দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। যেমন কি আপনারা সকলেই জানেন উত্তর প্রদেশ হলো ক্ষমতায় ভার কেন্দ্র আর সেই রাজ্যে ভোটের আগে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারীরা এভাবে ধর্মঘটে যাচ্ছেন তা বিজেপির পক্ষে মোটেও ভালো নয় বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক বীদরা। অন্যদিকে কর্মচারীরা যাতে ধর্মঘটে সামিল না হতে পারে এর জন্য এসমা জারি করেছে রাজ্যের মুখ্যসচিব অরূপ চন্দ্র পান্ডে। সোমবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ধর্মঘটকে নিষিদ্ধ বলে ঘোষণা করেন।

Related Articles

Back to top button