ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল মোদির সরকার। এবার পাকিস্তান হাড়ে হাড়ে টের পাবে কত ধানে কত চাল।

পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকে পাকিস্তান এর উপর বদলা নেওয়ার জন্য গোটা ভারতবাসী উঠে পড়ে লেগেছে। শুধুমাত্র ভারতবাসী নয় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বলেছেন শহীদদের রক্ত ব্যর্থ হতে দেবে না ভারত। পাকিস্তানকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জন্য দফায় দফায় রাজনাথ সিং ও উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করছেন। শুধুমাত্র সামরিক দিক থেকে নয় কূটনৈতিক ভাবেও পাকিস্তান কে জব্দ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তানকে কিভাবে কোণঠাসা করা যায় তার জন্য ভারত ছক কষছে। এর জন্য রাজনাথ সিং উচ্চপর্যায়ে কমিটির সাথে বৈঠক করছেন। ইতিমধ্যে সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশ বা মোস্ট ফেভারিট নেশেন এর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানকে।

এর ফলে পাকিস্থানি আমদানিকৃত পণ্যের শুল্ক বেড়ে 200 শতাংশ হয়েছে। পাকিস্তানে চা,টমাটো রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ভারতের তরফ থেকে। ভারত এখানেই থামেনি, পাকিস্তানকে সবদিক থেকে শেষ করে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভারত। এরপর পাকিস্তান যাতে তীব্র জল সংকট এবং তার উপযুক্ত ব্যবস্থা নিল ভারত। যে তিনটি নদী ভারত থেকে পাকিস্তানে বয়ে যায়। ওই তিনটি নদীর জল আটকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আজ বৃহস্পতিবার উত্তর প্রদেশে 8,530 কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করতে গিয়ে নিতিন গডকড়ী বলেন, ” যে তিনটি নদী ভারত হয়ে পাকিস্তানের দিকে বয়ে গেছে। সেই তিনটি নদীর জল যমুনাতে ফেলার প্রক্রিয়া চলছে। এই তিনটি নদীর জল যদি যমুনাতে পড়ে তাহলে যমুনার জল বেড়ে যাবে।” এমনটা খবর আসছে যে, এই তিনটি নদীর জল খালের মাধ্যমে যমুনাতে ফেলা হবে।

বাগপতে যমুনা নদীতে বন্দর তৈরি করা হবে। ওই বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মায়ানমারে পাঠানো হবে চিনি। তিনটি নদীর সাথে যমুনাকে জোড়ার ফলে একটি নতুন জলপথ মাধ্যম তৈরি করবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরে সোশ্যাল মিডিয়াতে জানান যে, ভারত পাকিস্তানের সাথে কোনো জল শেয়ার করবে না এবার থেকে। যে সমস্ত জল পাকিস্তানের দিকে গেছে সেই সমস্ত জলপদগুলো এবার বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে জল সংকটে পড়বে পাকিস্তান তা নিশ্চিত।