Paytm থেকে রিচার্জ করতে গিয়ে এক ব্যক্তি ব্যাঙ্ক থেকে খোয়ালেন 1 লাখ 30 হাজার টাকা…

যেভাবে দিন দিন প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে তার জেরেই এখন দুনিয়া প্রায় হাতের মুঠোয় চলে এসেছে। এখনকার দিনে আপনার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আপনি ঘরে বসেই পেয়ে যাচ্ছেন যার জেরে আপনাকে অনেক ক্ষেত্রে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। তবে আবার কিছু ক্ষেত্রে এইভাবে ঘরে বসে কাজ শেষ করতে গিয়ে বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা ও। আর এইভাবে ঘরে বসে মোবাইল থেকে পেটিএমের মাধ্যমে  নিজের মোবাইল রিচার্জ করতে গিয়ে এক ব্যক্তি তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে হারালেন 1 লাখ 30 হাজার টাকা।

পরে সেই ব্যক্তির তরফ থেকে এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে লালবাজার সাইবার থানায়, ইতিমধ্যে পুলিশ এই বিষয় নিয়ে তদন্তে নেমেছে।এই ব্যক্তির নাম বিদ্যুৎ কুমার মাইতি যিনি শোভাবাজার বটতলা থানার দর্জিপাড়ার এক যুবক। এই ব্যক্তির অভিযোগ গত শনিবার দিন তিনি পেটিএম এর মাধ্যমে নিজের মোবাইল নম্বরে 50 টাকা রিচার্জ করার চেষ্টা করছিলেন, এক্ষেত্রে বেশ কয়েকবার রিচার্জ করতে গিয়ে ব্যর্থতার শিকার হন তিনি অবশেষে 50 টাকা রিচার্জ করতে সক্ষম হন।

তবে এরপরই ঘটে সেই ঘটনা রিচার্জ সাকসেসফুল হওয়ার পরই তার মোবাইলে পরপর মেসেজ আসতে শুরু করে দেয় যেখানে তিনি দেখেন 8 দফায় দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে তার তুলে নেওয়া হয়েছে 1 লক্ষ 30 হাজার টাকা। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎবাবু থানায় যে অভিযোগটি দায়ের করেছেন সেখানে তিনি বলেছেন পেটিএম এর মাধ্যমে নিজের মোবাইল নম্বরে 50 টাকা রিচার্জ করার পরই তার মোবাইলে মেসেজ আসে পেটিএম কেওয়াইসি (Paytm kyc ) আপডেট করতে হবে বলে।

আর এই মেসেজে একটি হেল্প লাইন নম্বর দেওয়া থাকে কোন কিছু সাহায্য নেওয়ার জন্য। আর যখন এই হেল্পলাইন নম্বরে তিনি ফোন করেন তখন তাদের তরফ থেকে দুটি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করার পরামর্শ দেয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। এমনকি সেখানে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য আপডেট করতে বলা হয়।অবশেষে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার জন্য তাকে এক টাকার একটি রিচার্জ করতে হবে বলে বলা হয় মোবাইলে আসা এসএমএসের নির্দেশমতো তিনি সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন, আর তার পরই তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া যায় টাকা। অবশেষে তিনি বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন ছুটে যান লালবাজার সাইবার থানায় সেখানে তিনি অভিযোগ দায়ের করেন এর ভিত্তিতে। তবে বহুবার ব্যাংকে তরফ থেকে এমনকি পুলিশের তরফ থেকে সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে একাধিকবার সচেতন করা হলেও দেশের অনেক সাধারণ মানুষেরা এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠতে পারেনি। যার ফলে তাদের একটু অসাবধানতার কারণে এইভাবে তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে খোয়া যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা।