আবারো একবার নাজেহাল হতে চলেছে দেশের জনগণ, লাগাতার পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাঙ্ক ও এটিএম পরিষেবা….

এর আগে গত সপ্তাহে 31 শে জানুয়ারি ও পহেলা ফেব্রুয়ারি ব্যাংকের সরকারি কর্মচারীরা ধর্মঘট পালন করেছিলেন আর এবারও আরো একবার সেই সব ব্যাংকের কর্মচারীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। তবে এবার তারা যে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তার জেরে লাগাতার 5 দিন প্রভাবিত হতে চলেছে ব্যাংকের পরিষেবা ও এটিএম-এ পরিষেবা। ব্যাঙ্কের কর্মীরা ধর্মঘট করলে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে দেশের সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হবে 5 দিন লাগাতার।

উল্লেখ আরো বলে রাখি যে,AIBEA ও BEFI এ তথ্য অনুযায়ী 11ই মার্চ থেকে 13 ই মার্চ লাগাতার তিন দিনের জন্য ব্যাংকের ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে সারা দেশজুড়ে। তবে কেন দেওয়া হয়েছে আবারও এই ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক সে ব্যাপারে বলতে গেলে বলে রাখি বেতন বৃদ্ধিসহ একাধিক দাবি জানিয়েছিল ব্যাঙ্ক তবে এ বিষয়ে IBA এ সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমেও কোনো সমাধান বেরিয়ে আসেনি তার জেরে ডাকা হয়েছে আবারও এই ব্যাঙ্ক ধর্মঘট।

আর এই ধর্মঘট মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে ডাকা হয়েছে এই যে রবিবার নিয়ে মোট পাঁচ দিন ব্যাংকের পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে। তবে যেমনটা আমরা জানি প্রত্যেক মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ব্যাংকের ছুটি থাকে, তবে বলে রাখি এই ধর্মঘটের জেরে কোন প্রকার বেসরকারি ব্যাংক HDFC ব্যাঙ্ক হোক কিংবা ICICI ব্যাঙ্ক হোক না কেন তার মধ্যে কোনো প্রভাব পড়বে না এর। আর এই ধর্মঘট যদি আবার ডাকা হয় তাহলে বলে রাখি এটা এই বছরের তৃতীয় ব্যাঙ্ক ধর্মঘট হবে।

নতুন বছরের শুরুতে গত 8 ই জানুয়ারি ইউনিয়নের তরফ থেকে সরকারের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছিল। তবে এবার ব্যাঙ্কের তরফ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেখানে তারা জানিয়েছেন এবার যদি সরকার তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে চিন্তিত যদি না হন তাহলে গত পয়লা এপ্রিল থেকে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যাঙ্ক ধর্মঘট পালন করবেন।আর যদি এমনটা হয়ে থাকে তাহলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা জেরে নাজেহাল হয়ে পড়বে দেশের মানুষ। কারণ দেশের এমন অনেকেই মানুষ আছেন যারা এখনো পর্যন্ত ব্যাংকে গিয়ে টাকা ওঠা বা জমা দেওয়া পছন্দ করেন। তবে এই ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের জেরে যে এটিএম এ প্রভাব পড়বে না তা নয়, টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট যদি করা হয় তার জেরে এটিএম গুলিতে টাকা ফুরিয়ে যাবে ফলে ভোগান্তির শিকার হতে হবে দেশের জনগণকে।

Related Articles

Close