অফিসে গেলেও মানতে হবে একাধিক বিধি-নিয়ম, SOP জারি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনার দাপট কিছুটা হলেও কমে এসেছে ভারতে। তাই স্কুল অফিস খুলে যাচ্ছে। বাড়ি থেকে কাজ, বা ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর প্রবণতা কিছুটা কমছে। কিন্তু অফিস খুললেও সংক্রমণের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে, কারণ করোনা পুরোপুরি বিদায় নেয়নি৷  তাই অফিসে সংক্রমণ এড়াতে কী কী করা উচিত, তাই নিয়ে  কিছু নীতিনির্দেশ  এসওপি (SOP) জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

 

দেখে নিন সেই সব নিয়ম নীতি

১) অফিসে একজন বা দু’জন কর্মচারী যদি করোনা  আক্রান্ত হন, তা হলে দুদিন  আগে ওই ব্যক্তি যেখানে বসেছিলেন এবং যেখানে যেখানে গিয়েছিলেন, সেখানেই স্যনিটাইজেশনের কাজ করলে চলবে। সর্বত্র করার দরকার নেই৷

২) যদি অফিসের একটা ব্লকে অনেকে আক্রান্ত হন, তা হলে পুরো ব্লক সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দিতে হবে এবং  স্যানিটাইজ করতে হবে। তার পর ফের কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে।

৩) অফিসের কোনো কর্মী কনটেনমেন্ট জোনে থাকলে, তাঁকে বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দিতে হবে।  সংশ্লিষ্ট অফিসকে। কনটেনমেন্ট জোনের আওতা থেকে ওই জায়গাটি বেরোলে তবেই ওই কর্মী ফের অফিসে যেতে পারবেন।

৪) জরুরি পরিষেবা ছাড়া কনটেনমেন্ট জোনে কোনো অফিস খুলবে না৷

৫) উপসর্গহীন ব্যক্তিরা অফিসে আসতে  পারেন৷ যত দূর সম্ভব দু’জনের মধ্যে ছয় ফুটের শারীরিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরতেই হবে৷

৬) মাস্ক এমন ভাবে পরতে হবে যাতে মুখ এবং নাক পুরোপুরি ঢাকা থাকে।

৭) ৪০ থেকে ৬০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। সাবান না থাকলে স্যানিটাইজার দিয়ে  ভালো করে হাত পরিস্কার করে নিতে হবে।

৮) যত দূর সম্ভব ভার্চুয়াল মিটিং করতে হবে। বেশি ভিড় করা যাবে না৷

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে ৩ বছর অন্তর করতে হবে এই কাজ, নাহলে

৯) দিনে অন্তত দু’বার অফিসের মেঝে ভালো করে স্যানিটাইজ করতে হবে। থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে৷

১০) লিফ্‌টে বেশি মানুষকে উঠতে দেওয়া যাবে না।  নির্দিষ্ট শারীরিক দুরুত্ববিধি মানতে হবে৷

১১) শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্রে তাপমাত্রা ২৪ থেকে ৩০ ডিগ্রি রাখতে হবে। ঘরে ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ আর্দ্রতা রাখতে হবে। হাওয়া চলাচলের ব্যবস্থা অবাধ রাখতে হবে।

১২) অফিসের বারান্দায় দোকান বা ক্যাফেটেরিয়াগুলিতে শারীরিক দুরুত্ববিধি মান্য করতেই হবে৷