লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, গত 24 ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়িয়েছে 46 হাজারেরও বেশী

দেশজুড়ে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, গত 24 ঘন্টাতে আবারও নতুন করে দেশজুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা 46 হাজার 232 জন। আর এই যে পরিসংখ্যানটি রয়েছে সেটি আগের দিনের তুলনায় তুলনামূলক হারে বেশি কারণ গতকাল শুক্রবার দিন গত 24 ঘন্টাতে করোনা সংক্রমনের সংখ্যা ছিল 45 হাজার 883 তে। শুধু করোনা আক্রান্তের সংখ্যাই নয় এর পাশাপাশি বাড়ছে মৃত্যুর হারও, গত 24 ঘণ্টাতে এই মহামারীর জেরে মৃত্যু ঘটেছে 565 জনের। আর এই মুহূর্তে গোটা দেশজুড়ে করোনার জেরে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 1 লক্ষ 32 হাজার 726 তে অন্যদিকে গোটা দেশজুড়ে মোট সংক্রমনের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় 90 লক্ষ 60 হাজার। এই মুহূর্তে মোট করোনা আক্রান্ত অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা রয়েছে 4 লক্ষ 39 হাজারের কাছাকাছি।

তবে যত দিন যাচ্ছে দেশের রাজধানী দিল্লিতে এই করোনা সংক্রমনের হার দ্রুত ছড়াচ্ছে, গতকাল রাত পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়েছে যে সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত 24 ঘন্টায় দিল্লিতে করোনায় মৃত্যু হয়েছে প্রায় 118 জনের আর যেখানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 6953 তে। যার ফলে এই মুহূর্তে দিল্লিতে মোট করোনা সংক্রমনের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে প্রায় 5.17 লক্ষতে। এক দিনে আক্রান্ত প্রায় 46 হাজারের বেশি মানুষ। তার মধ্যে দিল্লিতে 6953 জন, কেরলে 6028 জন ও মহারাষ্ট্রে 5640 জন একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বলে রাখি গতকাল শুক্রবার দিন এই করোনার হাত থেকে সুস্থ হয়েছেন 8775 জন।

 

অন্যদিকে, যদি পরিসংখ্যান বলা যায় তাহলে এই দিন নিয়ে পরপর 14 দিন ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা 50 হাজারের নীচে রয়েছে। যেখানে শেষবার দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা 50 হাজারের বেশি ছাড়িয়েছিল 7 ই নভেম্বর। আর বর্তমানে এই করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে আহমেদাবাদের 57 ঘন্টা কার্ফু করার পর রাজ্যের আরও তিনটি শহর যাদের নাম যথাক্রমে সুরাত, ভদোদরা এবং রাজকোট সেখানে রাত্রিকালী কার্ফু জারি করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশ সরকার ভোপাল, ইন্দোর, গোয়ালিয়র, রাতলাম এবং বিদিশায় রাত্রিকালীন কার্ফু জারি করেছে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য দফতরের তরফে যে রিপোর্ট প্রকাশিত করা হয়েছে তার পরিসংখ্যান অনুযায়ী শুক্রবার আক্রান্তের সংখ্যা 3226 জন। অন্যদিকে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা 3850 । ফলে রাজ্যে এদিনও আক্রান্ত হওয়া থেকে সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা বেশি। রাজ্যের সুস্থতার হার গিয়ে দাঁড়িয়েছে 92.54%-তে।