Categories
নতুন খবর রাজ্য

এনআরএসে কুকুর নিধন রহস্যের পর্দাফাঁস, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও।

এনআরএস হাসপাতালে প্লাস্টিকের কাগজে মোড়া ১৬ টি কুকুর ছানার  মৃত দেহকে ঘীরে চাঞ্চল্য। কে বা কারা এই অমানবিক কাজ করল? প্রশ্নের ঝড় চারিদিকে।এই ঘটনাকে ঘিরে সোমবার সকালে প্রকাশ্যে আসে শিয়ালদহ আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজে ছাত্রীদের তোলা একটি ভিডিও ক্লিপ সেই ভিডিও ক্লিপ এ দেখা যাচ্ছে যে,নীলরতন সরকারের মেডিকেল কলেজের মধ্যে দুই মহিলা লাঠি হাতে কুকুরগুলোকে বেধড়ক মেরে যাচ্ছেন। আর এই ঘটনার পর থেকে দুই মহিলার এ ভিডিও ক্লিপটি চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরবর্তী কালে তদন্ত চালু করা হয় যেখানে খবর লাগানো হয় এই ১৬ টি ছানা কুকুরের মৃত্যুর সাথে এই দুই মহিলারার কোনো যোগ রয়েছে কীনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে৷

হঠাৎ করে এই অমানবিক ভাবে কুকুরদের মারার দৃশ্যকে দেখে হতবাক হয়ে যায় সেখানকার ছাত্রীরা চেঁচিয়ে মহিলাদের নিষেধ করার চেষ্টা করেন তারা তবে তার ফল কিছু হয়নি। ছাত্রীদের কোথায় জানতে পারা যায় তাদের হোস্টেল ও এলআকএসের মাঝে রয়েছে বিশাল প্রাচীর ফলে নিচে গিয়ে বারণ করার কোন উপায় ছিল না তাদের।এখন অনুমান করা হচ্ছে এন আর এস এর এই দুই মহিলার মারের আঘাতেই কী মৃত্যু হয়েছে এই ১৬ টি কুকুর ছানার।এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এনআরএস এর মধ্যে এই দুই মহিলার আসল পরিচয় কি তারা কি সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা?তবে তদন্ত সূত্রে এন্টালি থানার পুলিশ জিজ্ঞাসা করতে পারে ডেন্টাল কলেজের আবাসিক ছাত্রীদের এ ব্যাপারে এবং খুঁটিয়ে দেখা হবে এই ভিডিও ক্লিপটি কেউ বলে জানিয়েছে তারা।

হাসপাতালে বিভাগে কিভাবে এ কুকুরদের মৃতদেহ গেলো সেটিও তদন্ত করবে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানতে পারা যায় একমাত্র হাসপাতালে কর্মীরাই ওই বর্জ্য ফেলার প্লাস্টিকের প্যাকেট গুলিকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যেতে পারে আর সেখানেই সন্দেহ জড়াচ্ছে পুলিশের তাহলে কি ওই দুই মহিলা হাসপাতালের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। রবিবার দিন দুপুরে এনআরএস হাসপাতালে ভিতরে এই তিনটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ সাথে ১৬ টি কুকুরের মৃতদেহ কেউ।আর মৃতদেহগুলি যে প্লাস্টিকের ব্যাগে মোরা ছিল সেই প্লাস্টিক ব্যাগগুলি হাসপাতালে বর্জ্য ফেলার বিন ব্যাগ।

সেখান থেকে যাতায়াত করা লোক জনেরা জানান প্লাস্টিকের ব্যাগ গুলো দুজন মহিলা কর্মী রেখে যান জানাজানি হতেই সেখানে ভীড় জমতে শুরু করে। এবং সেখানে আসেন হাসপাতালে কর্তৃপক্ষরা ও খবর দেওয়া হয় পুলিশকে ঘটনাস্থলে এন্টালি থানার পুলিশ এসে সে প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে উদ্ধার করে। তবে এখানেই শেষ নয় সে প্লাস্টিকের ব্যাগের মধ্যে ছিল প্রচুর পরিমাণে খাবারও। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান হয় খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে কুকুরের ছানা গুলি কে মারা হয়েছে।এ ঘটনার পরই হাসপাতালে সুপার জানান হাসপাতালে চারিদিকে প্রচুর সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে এবং সেই সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ গুলিকে ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হবে।

কে বা কারা এই কুকুরের মৃতদেহ গুলোকে হাসপাতালের ভিতর রেখে গেল এইভাবে।আর এই ঘটনা তদন্তের সোমবার দিন এন আর এস কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। হাসপাতালের ডেপুটি সুপার রয়েছে এই কমিটির নেতৃত্বে। হাসপাতালে কেউ যদি দোষী প্রমাণিত হয় তাহলে তার জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে।

দেখুন সেই অমানবিক ভিডিওটি:-