করোনা আতঙ্কে কীভাবে লালবাজারে জমায়েত করার অনুমতি মিলল উঠছে একাধিক প্রশ্ন….

যেখানে এই করোনাভাইরাস কে নিয়ে দেশের সকল জনগণকে সচেতন করা হচ্ছে জোরদার প্রচার চালানো হচ্ছে এবং সাথে সাথে জানানো হচ্ছে দেশের মানুষ যাতে জমায়েত ভিড় বা থেকে দূরে থাকে।এ কথা বারবার প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে বারবার অনুরোধ করে জানানো হচ্ছে, তবে রাজ্যের কিছু মানুষ এই কথার তোয়াক্কা না করে গতকাল শনিবার দিন জনতা কারফিউ ঠিক আগের দিন রাজাবাজার মোড়ে এনআরসি ও সিএএ এর প্রতিবাদে জনসমাবেশ করে বিক্ষোভ চালালো।

সেখানে পোড়ানো হলো নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহের কুশপুতুল। গত কয়েক মাস ধরেই রাজবাজার মোড়ে চলছে NRC,CAA ও NRP নিয়ে চলছে একাধিক বিক্ষোভ।যেখানে নিত্যদিন 20 থেকে 25 জনের মতোন মানুষ জমায়েত করে সেখানে বলে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে তবে দেশে করোনা ভাইরাসের অবস্থানের পর থেকে সেখানে কোন বিক্ষোভের ঘটনা সামনে আসেনি, কিন্তু আবারও গতকাল শনিবার দিন দেখা মিলল সেখানে বিক্ষোভের।

গতকাল তারা আবারও NRC,CAA ও NRP এর প্রতিবাদে নেমে রাজবাজার মোড়ে আগুন লাগিয়ে দিল নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহের কুশপুতুলে। এ পাশাপাশি তোলা হলো একাধিক স্লোগানও। যেখানে এখন মানব জীবন বিপন্নের মুখে পড়েছে সেখানে এরকম এক পরিস্থিতিতে কিছু মানুষ রাজনীতির জন্য অন্যদের জীবনকে বিপন্নের মধ্যে ফেলে দিতে দ্বিধাবোধ করছে না, তাই এই নিয়ে উঠছে এখাধিক প্রশ্নও।প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এরকম এক পরিস্থিতিতে যখন দেশের জনগণকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জনতা কারফিউ পালন করার ডাক দিয়েছেন ঘরে থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন।

সেখানে এরকম করে জনসমাবেশ করে কীভাবে বিক্ষোভ চালাচ্ছে এসব মানুষেরা, তাহলে এরকম একদিনে জনতা কার্ফু করে কী লাভ যদি এরকম ভাবে তারা বিক্ষোভ চালাতে থাকে আগামী দিনেও। এর পাশাপাশি এই প্রশ্ন তোলা হচ্ছে দেশজুড়ে যেখানে করোনাভাইরাসের সচেতনমূলক প্রচার জনস্বার্থে জারি করা হচ্ছে সেখানে কিভাবে লালবাজারে এরকম এক বিক্ষোভ কর্মসূচি করার অনুমতি মিলল আর এক্ষেত্রে যদি জমায়েত থেকে ভাইরাসের সংক্রমণ হয় তাহলে তার দায় কারা নেবে?প্রসঙ্গত বলে রাখি এই করোনাভাইরাস এর জেরে ভারতের আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে 332 জন আর এই ভাইরাসের জেরে ভারতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে 5 জন।