Categories
দেশ নতুন খবর বিশেষ লাইফ স্টাইল

সব সংশয় দূর, লকডাউনের মধ্যে বিদ্যুতের মেটানো যাবে এইভাবে তাই দেরি না করে..

দেশজুড়ে আবারো জারি করা হয়েছে লকডাউন 2.0, আর এই লকডাউন চলবে আগামী মে মাসের 3 তারিখ পর্যন্ত। যেহেতু এখনও পর্যন্ত এই করোনা ভাইরাস এর কোন ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি সেহেতু এই লকডাউন বাড়ানো ছাড়া দ্বিতীয় কোনো রাস্তা ছিল না এই করোনা সংক্রমণকে রুখতে সরকারের কাছে।গতকাল জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা তুলে ধরেন। তবে এইভাবে লকডাউন এর জেরে অধিকাংশ মানুষ সমস্যায় পড়েছে কীভাবে তারা তাদের বিদ্যুতের বিল মেটাবে সে বিষয় নিয়ে।

কারণ দেশের এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা এখনো পর্যন্ত অনলাইনে বিদ্যুতের বিল পেমেন্ট করতে অভ্যস্ত নন। আর অন্যদিকে যেহেতু করোনা ভাইরাস এর ছায়া সেহেতু এখন বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মিটার রিডিং এর জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কেউ যেতে চাইছে না তাই এ ব্যাপারে অভয় দিচ্ছে সিইএসসি। তাদের সংস্থার দাবি মার্চে অধিকাংশ গ্রাহক কে দেওয়া হচ্ছে এক প্রকার অস্থায়ী বিল। আর এই বিলটি এখন উপায় রয়েছে অনলাইনে মেটানোর, তবে সেই বিকল্পটি ছাড়াও নিকটবর্তী কোন স্পেনসার্স স্টোরে গিয়েও বিল বাবদ চেক জমা দেওয়া যাবে।

তবে অনেকের কাছে এই প্রশ্ন শোনা যাচ্ছে একাধিক বার যখন মিটারের রিডিং নেওয়া হচ্ছে না তখন তাহলে কীভাবে এই বিদ্যুতের বিল সঠিকভাবে আসছে? আর কীভাবেই বা জানা যাচ্ছে কার বাড়িতে কত ইউনিট ব্যবহার করা হয়েছে ইলেকট্রিসিটি, সেটা কীভাবে সম্ভব? তবে সেসব গ্রাহকদের উদ্দেশ্যে বলে রাখি এখন যে বিলটি দেওয়া হচ্ছে সেটি গত বছর সিইএসসি এলাকার অন্তর্গত গ্রাহকদের বাড়ি বা অফিসের মিটার রিডিং নেওয়া থাকলে দেওয়া হচ্ছে ওই মাসে কত ইউনিট ইলেকট্রিসিটি খরচ হয়েছিল।

তা দেখে এবছর মার্চ মাসের প্রভিশনাল বিলটি তৈরি করা হচ্ছে আর এক্ষেত্রে রিডিং না নেওয়া থাকলেও গত ছয় মাসে কত ইউনিট করে বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে তার একটি গড় করে এই বিলটি তৈরি করা হচ্ছে। আর যেসব গ্রাহকদের মোবাইল নম্বরটি এই বিলের সঙ্গে সংযুক্ত করা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এসএমএস এর মাধ্যমে চলে আসছে এই বিলের পরিসংখ্যানটি।আর এখনও পর্যন্ত যে সমস্ত গ্রাহকদের এই এসএমএসটি আসেনি সেই সমস্ত গ্রাহকদের বিল তৈরির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে এসএমএস।