Categories
দেশ নতুন খবর বিশেষ

এখন চাকরি কর্মীদের ইপিএফ এর অ্যাকাউন্ট থাকলেই মিলবে 6 লক্ষ টাকার জীবন বীমা…

ইপিএফ শব্দটি সকল চাকরি প্রার্থীদের কাছে অতি পরিচিত শব্দ। সাধারনত চাকরিপ্রার্থীদের অবসর নেওয়ার পর অর্থনৈতিক ভাবে সাহায্য করে থাকে এই ইপিএফ। ইপিএফ এর টাকা থেকেই অবসর সময়ে সমস্ত খরচা চালাতে হয় তাদের। কিন্তু ইপিএফ সম্বন্ধে কিছু তথ্য এমনও আছে যা অনেকেই জানেন না।ইপিএফ আমাদের জীবন বীমাও দিয়ে থাকে। চাকরি থাকাকালীন কোন কর্মীর যদি মৃত্যু হয় তাহলে তার পরিবার 6 লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন এর দরুন। EDLI 1976 -এর নিয়ম অনুসারে ওই টাকা দেওয়া হয়ে থাকে।

কিন্তু খুব কমই মানুষ আছেন যারা ইপিএফ সম্বন্ধে এই তথ্যটি জানেন। এবার আপনারা জেনে নিন এই সুবিধা কারা কীভাবে পেতে পারে। মনে রাখবেন যে কোন ইপিএফ অ্যকাউন্ট হোল্ডার এই জীবন বীমার সুবিধা পেয়ে থাকেন। যখনই একজন কর্মীর ইপিএফ অ্যাকাউন্ট খোলা হয় তখন থেকেই এই বীমা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন।চাকরি থাকাকালীন কোন কর্মী যদি মারা যান তাহলে তার বেসিক স্যালারির 20 গুন বা 6 লাখ টাকার মধ্যে যেকোনো একটি সুবিধা ওই কর্মীর পরিবার পেতে পারেন।

তবে একটা কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, এই সুবিধা ওই কর্মীর পরিবার তখনই পাবেন যখন ওই কর্মী সার্ভিস পিরিওডে থাকাকালীন মারা যাবেন। দীর্ঘমেয়াদি কোনো অসুস্থতা, দুর্ঘটনাজনিত বা স্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে ওই গরমের ইপিএফ অ্যকাউন্টে যিনি নমিনি আছেন তাকে ওই প্রাপ্ত টাকা দেওয়া হবে। তবে যিনি নমিনি থাকবেন তাকে ওই টাকা পাওয়ার জন্য দাবি জানাতে হবে। ওই টাকা পাওয়ার জন্য একাধিক আবেদন কার্য করা হবে না, শুধুমাত্র যিনি নমিনি তিনি এই টাকার দাবি করতে পারবেন। যে সমস্ত ইপিএফ গ্রাহকদের গ্রুপ মেডিকেল ইনস্যুরেন্স নেই তাদের ক্ষেত্রে কেবল এই নিয়মটি কার্যকর হবে।

অর্থাৎ কোন ইপিএফ গ্রাহকের যদি গ্রুপ মেডিকেল ইন্সুরেন্স থাকে তাহলে এই বীমার সুবিধা পাবেন না। এসব সুবিধা সাধারণত যাদের রোজগার কম থাকে এবং যাদের মেডিকেল ইনস্যুরেন্স করানোর মতো সামর্থ্য নেই তাদের জন্যই মূলত এই বিমা আনা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে কেন্দ্রীয় ট্রাস্ট অফ বোর্ড লাইভ কভারেজ অন্তত দু লাখ টাকা করার জন্য দাবি জানিয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রে তরফ থেকে এই নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।