বড় খবর-করোনার জেরে বর্তমানে বেসরকারি বাসের ন্যূনতম ভাড়া 23 থেকে 30 টাকা..

রাজ্যজুড়ে লকডাউনের মধ্যেই শুরু করা হয়েছে বাস পরিষেবাকে তবে এক্ষেত্রে বিধি নিয়ম মেনেই তবেই রাস্তায় চলছে বাস, যেখানে রাস্তায় বাস পরিষেবা কে শুরু করার সময় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছিল একটি বাসের মাত্র 20 জন যাত্রীকে চাপানো যাবে এবং তার অধিক যাত্রীকে চাপানো যাবে না সেই বাস গুলিতে, আর এক্ষেত্রে বাস গুলিকে প্রতিনিয়ত স্যানিটাইজার করা হবে।তবে যেহেতু 20 জন যাত্রীকে চাপানোর নির্দেশ জানানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

তার জেরে সরকারি বাস এই পরিষেবা শুরু করল বেসরকারি বাস এই পরিষেবা শুরু করতে রাজি ছিল না তাদের দাবি ছিল এক্ষেত্রে তারা কুড়ি জন যাত্রীকে নিয়ে বাস চালাতে পারবে না, আর যদি সেটা করা হয়ে থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে বাড়াতে হবে যাত্রীদের ন্যূনতম যে ভাড়ার পরিমাণ সেটিকে 25 থেকে 30 টাকা পর্যন্ত করতে হবে এরপর কিলোমিটার অনুযায়ী ধাপে ধাপে বাড়বে ভাড়ার পরিমাণ। পরিবহন দপ্তর এর তরফ থেকে এই ভাবে এক ধাক্কায় ভাড়া বাড়ানোর কথাটি মেনে নেওয়া হয়নি এবং জানানো হয় তারা এই বিষয়ে দিয়ে পরবর্তী কালে বিচার বিবেচনা করবে।

আর যদি এইভাবে ভাড়ার পরিমাণ কে বাড়ানো হয় তাহলে একপ্রকার আমজনতার মাথায় আকাশ পড়ার মতো ঘটনা ঘটবে।কারণ এই মুহূর্তে দেশের বেশিরভাগ মানুষের লকডাউনের জেরে আয় একপ্রকার বন্ধ। তাছাড়া বেকায়দায় পড়েছেন যাত্রীরা আর এতটা পরিমাণের যদি ভাড়ার পরিমাণ বেড়ে যায় তাহলে কীভাবে দিন আনা দিন খাওয়া পরিবারের সদস্যরা কাজে বের হবেন সে বিষয়ে রয়েছে একাধিক প্রশ্ন! কারণ এক্ষেত্রে বেশিরভাগ যে সব মানুষেরা বাসে যাতায়াত করে থাকেন তাদের অধিকাংশই নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য।

তারা কীভাবে এই টাকার যোগান দেবে। তাই এই বিষয় নিয়ে সরকারের কাছে মধ্যস্থতায় দাবি করেছেন বাস মালিক ও যাত্রী উভয় পক্ষই।তবে এক্ষেত্রে আরও একটি প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে যেখানে সরকারি বাস গুলি সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কুড়ি জন যাত্রী তুললেও বেসরকারি বাস চালকেরা কী সেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুড়িজন যাত্রীকে তুলবে। আর যদি সেটা না করা হয় তাহলে এক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।যদিও এক্ষেত্রে বাসের ভাড়া যে আগামী দিনে বাড়তে চলেছে তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় আগেই ইঙ্গিত মিলেছে।

গত মঙ্গলবার দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন এখন বেসরকারি বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া কী হবে তা নিজেরাই ঠিক করে নেবে, আর এক্ষেত্রে যারা সেই বাসে চড়তে পারবেন অর্থাৎ সেই পরিমাণ টাকা ব্যয় করতে পারবেন তারা-ই সেই বাসে উঠবেন আর যারা এই পরিমাণ টাকা ব্যয় করতে পারবেন না তারা সেই বাসে উঠবেন না।যদিও এখনো পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বেরিয়ে আসেনি তবে এই বিষয়ে পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাস মালিকদের সংগঠনগুলির সাথে কথা বলবেন ও তাদের সাথে বৈঠক করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এ বিষয়ে।