সিদ্ধার্থ নয় বরং নিজের বোনের বরকে চেয়েছিলেন বিক্রম বাত্রার চরিত্রে দেখতে, উত্তরে পেলেন মক্কম জবাব সালমান

বলিউডে যে ফর্মুলা মেনে ভারত -পাকিস্তানের যুদ্ধের সিনেমা তৈরি হয় তার থেকে কোনো অংশে আলাদা নয় শেরশাহ। তবে এই ছবির ফ্লেভার একটু আলাদা। গত ১২ ই আগস্ট, ভারতের ৭৫ তম স্বাধীনত দিবসের সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছে দেশাত্মবোধক এক বলিউড ছবি যেটি হল ‘শেরশাহ ‘। এখানে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে বীর সেনানী বিক্রম বাত্রার জীবনী। যাঁর আত্মত্যাগ ভারতকে কারগিল জয়ের দিকে এগিয়ে দিয়েছিল।

পালমপুরের শিক্ষকের ছেলে কীভাবে বিক্রম বাত্রা হয়ে উঠলেন সেই গল্প দেখতে খুব একটা মন্দ লাগবে না। সেই অসীম সাহসী বীর ভারতীয় সৈনিক এর চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি দর্শকের মন কেড়ে নিয়েছেন বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। তবে যেমনটা জানা যাচ্ছে, সিদ্ধার্থের এই চরিত্র নিজের ভগ্নিপতি আয়ুষ শর্মা কে দিতে চেয়ে ছিলেন সালমান খান। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ছবির প্রযোজক শাব্বির বক্সওয়ালা। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সালমান চেয়েছিল এই ছবিতে বিক্রম বাত্রার চরিত্র তে আয়ুষ শর্মা কে নেওয়া হোক। তবে ততদিনে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা সাথে সমস্ত কথাবার্তা ফাইনাল হয়ে গিয়েছিল।

বর্তমানে এই করোনা পরিস্থিতিতে সাব্বির বক্সওয়ালা পরিচালিত ছবি ‘শেরশাহ ‘ ও বড় পর্দায় মুক্তির সুযোগ পাইনি। বদলে ওটিটি প্লাটফর্ম বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে ছবির নির্মাতারা। IMBD রেটিং এর নিরিখে ৮.৮ পেয়েছে সিদ্ধার্থ মালহোত্রা অভিনীত এই ছবিটি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা আলিয়া ভাট এবং বরুণ ধাওয়ানের সঙ্গে ‘ স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার ‘ ছবিতে অভিনয় করে কেরিয়ার শুরু করেন। তবে তারপর থেকে তার কেরিয়ার তেমন জমছিল না।

বলিউডের বেশ কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করার পরও ক্রমশ ব্যাকফুটে চলে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে ‘শেরশাহ ‘ তার জীবনে নতুন মাইলস্টোন সৃষ্টি করলো। এই ছবি সিদ্ধার্থ জীবনে অন্যতম একটি হিট ছবি। অনলাইনে মুক্তি পাওয়ার পর দেশের কোটি কোটি দর্শকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ‘শেরশাহ ‘। মুখ্য ভূমিকায় সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং তার বিপরীতে বিক্রম বাত্রার স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিয়ারা অ্যাডভাণী।

দুজনের অভিনয় ই ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। এই ছবিতে অভিনয় করে নিজের কেরিয়ারে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেলেন সিদ্ধার্থ। যার ফলে অদূর ভবিষ্যতে ‘ থ্যাংক গড ‘ , ‘ মিশন মজনু ‘ এই দুটি ছবি রয়েছে সিদ্ধার্থের হাতে। এই ছবির উৎসটি খুবই জোরালো, এখানে একজন সৈনিক নিজের পোশাকের মান রেখে ভারত ভূমিকে রক্ষা করেছেন শত্রুদের হাত থেকে। আর এখানেই এর সার্থকতা।