সুখবর! আগামী 1 মাসের জন্য অগ্রিম বেতন পেয়ে যাবেন কর্মচারীরা, পাশাপাশি কার্ড না থাকলেও মিলবে রেশন পরিষেবা…

করোনা মোকাবিলা করতে তৎপর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার উভয়ই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের সাধারণ মানুষের জন্য বড়োসড়ো ঘোষণা করলেন। এবং আবারো তিনি প্রমাণ করে দিলেন যে এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে আছেন। তিনি ঘোষণা করেন,এই করোনা পরিস্থিতিতে কোন রাজ্য সরকারি কর্মচারী যদি চান তাহলে এক মাসের অগ্রিম বেতন নিতে পারেন। শুধু রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য নয় পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা ভেবেছেন তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য তিনি বলেছেন, রেশন কার্ড না থাকলেও তারা পরিষেবা পাবে। এর পাশাপাশি করোনা আতঙ্কের ফলে যাতে রক্তের সংকট না হয় তার জন্য পুলিশকে দিয়ে রক্তদান করানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যাদের রেশন কার্ড নেই তাদের জন্য অস্থায়ী রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করতে চলেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কমিউনিটি কিচেন তৈরি করার ব্যবস্থা করছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আরও 20 লক্ষ মানুষকে 5 কেজি করে চাল দেওয়া হবে রেশনে এবং বেলা 12 টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত মিষ্টির দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শিশু দের দুধ সরবরাহে যেমন কোনো রকম বাধা না পরে তার জন্য সেই সমস্ত দোকানগুলো খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। আগামীকাল থেকে অর্থাৎ 1 লা এপ্রিল থেকে নেতাজি ইন্দোর স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে রক্তদান শিবির। প্রত্যেকটি জেলায় জেলায় পুলিশকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এ রক্তদান শিবিরে কোন রাজনৈতিক দল যোগদান করতে পারবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

নবান্নের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে ভিন্ন রাজ্য থেকে বাংলায় আসা শ্রমিক দের অস্থায়ী রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। তারা যেন অভুক্ত না থাকে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া ও নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে রক্তদান শিবির যাতে এই সময়ে রক্তের সংকট না পড়ে তার জন্য এই রক্তদান শিবিরে প্রতিদিন 50 জন করে পুলিশকর্মী রক্তদান করবেন।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য চলতি সপ্তাহ থেকেই পরিষেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য এক মাসের অগ্রিম বেতন দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। লকডাউন চলাকালীন যে সমস্ত মানুষ ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছুক তারা নিচের এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন – 03323412600

এর পাশাপাশি করোনা মোকাবিলা তে ইতিমধ্যে 210 টির মতন ভেন্টিলেশন পাওয়া গেছে এবং আরো 300 টি ভেন্টিলেশনে অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এর সাথে সাথে মোবাইল ভেন্টিলেটরের ব্যবস্থা করা হচ্ছে একথাও জানান তিনি। আর রাজ্যে যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য হার্ট এবং সুগারের রোগীদের আরো বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন এবং সাথে সাথে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার পরামর্শ দেন।

Related Articles

Close