মুকেশ আম্বানি কে এই একটি শর্তে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিলেন নীতা আম্বানি

ভারতের সবথেকে ধনী ব্যক্তিদের নাম যদি মনে করা হয় তাহলে সবার আগে আমরা বলতে পারি মুকেশ আম্বানির নাম। কখনো পারিবারিক অনুষ্ঠানের দিক থেকে কখনো আবার সম্পত্তি বিস্তারের দিক থেকে মুকেশ আম্বানি খবরের শিরোনামে থাকেন। আলোচনা হোক অথবা সমালোচনা, আম্বানির পরিবারের নাম প্রায়শই খবরের শিরোনামে দেখতে পাওয়া যায়। আজ আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলতে চলেছি, যা হয়ত আপনারা আজ পর্যন্ত জানেন না। কথা বলব মুকেশ আম্বানির ব্যক্তিগত জীবনের।

মুকেশ আম্বানির বাবা ধীরুভাই আম্বানি আম্বানি পরিবারের কর্মকর্তা। তাঁর দুই সন্তানের বড় হলেন মুকেশ আম্বানি এবং ছোট হলেন অনিল আম্বানি। মুকেশ আম্বানির বিয়ের সময় তাঁর বাবা ধীরুভাই আম্বানি খুবই ক্ষুব্দ ছিলেন এই বিয়ে প্রসঙ্গে, কারণ তিনি একেবারেই চাইতেন না অনিল আম্বানির আগে মুকেশ আম্বানির বিয়ে হয়ে যাক। তবে মুকেশ আম্বানির স্ত্রী অর্থাৎ নীতা আম্বানিকে বেছে নিয়েছিলেন তাঁর বাবার ধীরুভাই আম্বানি নিজেই।

মুকেশ এবং নীতার প্রেমের গল্প যে কোন সিনেমাকে হার মানিয়ে দেবে। মুকেশ আম্বানি একদিকে যেমন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ছিলেন তেমন অন্যদিকে নীতা আম্বানি ফ্যাশনের দিক থেকে যেকোনো বলিউড সুন্দরীদের হার মানিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না, মুকেশ আম্বানিকে বিয়ে করার আগে নীতা আম্বানি এমন একটি শর্ত দিয়েছেন যা পূরণ করতে হয়েছিল মুকেশ আম্বানিকে।

নীতা আম্বানি গুজরাটি পরিবারের অন্তর্গত। নীতার পরিবার সঙ্গীত এবং শাস্ত্রীয় নৃত্য খুব পছন্দ করতেন। নীতার মা ছিলেন একজন বিশিষ্ট গুজরাটি লোকনৃত্য শিল্পী। আট বছর বয়স থেকে নীতা নাচ শিখতে শুরু করেন তাঁর মায়ের কাছে। নাচের পাশাপাশি নীতা আম্বানি একটি স্কুলে পড়াতেন মাত্র ৮০০ টাকার বিনিময়তে। শুধুমাত্র এটি তাঁর পেশা ছিল তাই নয়, তিনি ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াতে ভীষণভাবে ভালোবাসতেন।

কিন্তু নীতার ভয় ছিল বিয়ের পর তাঁর এই সখ যেন কোনভাবে শেষ না হয়ে যায় ,তাই বিয়ের আগে তিনি মুকেশ আম্বানির কাছে একটি শর্ত রাখেন। সেই শর্তটি হলো, বিয়ের পরেও যেন তিনি একইভাবে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়াতে পারেন এবং মুকেশ আম্বানিও এই শর্ত মেনে নিয়েছিলেন। আজ মুকেশ আম্বানি রিলায়েন্স ফাউন্ডারের প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৬ সালের ফোবর্স নিতা আম্বানিকে এশিয়ার ৫০ জন সবথেকে শক্তিশালী ব্যবসায়ী মহিলাদের তালিকায় শীর্ষে রাখে।