কেন্দ্রের এই নতুন যোজনার দরুন এখন ঘরে বসে পেয়ে যাবেন 36 হাজার টাকার পেনশন, আবেদন করতে…

এই করোনা আবহে দেশের প্রায় 20 লক্ষ 41 হাজার কৃষকদের জন্য সুখবর নিয়ে এলো মোদি সরকার। এর আগে কৃষকদের অবস্থা মাথায় রেখে নানান ধরনের স্কিম নিয়ে এসেছে মোদি সরকার।এবার ফের আরেকটি নতুন স্কিম নিয়ে এলো কৃষকদের জন্য। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে জানা গিয়েছে যে, দেশের মোট 20 লক্ষ 41 হাজার কৃষকদের বার্ষিক 36,000 টাকা পেনশন দিবে মোদি সরকার। আপনাদের জানিয়ে দিই, ইতিমধ্যেই দেশের এই সংখ্যক কৃষক দেশের প্রথম কিষাণ পেনশন স্কিম প্রধানমন্ত্রী কিষান মানধন যোজনাতে রেজিস্ট্রেশন করে নিয়েছেন।

রেজিস্ট্রেশন করা এই সংখ্যার মধ্যে 6 লক্ষ 36 হাজারেরও বেশি মহিলা রয়েছেন। যে সমস্ত মানুষেরা কৃষিকে পুরোপুরি জীবিকা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তাদের জন্য এই যোজনা প্রচুর লাভজনক হতে চলেছে। কেন্দ্র সরকারের এই প্রকল্পে হরিয়ানার 4 লক্ষেরও বেশি কৃষক ইতিমধ্যেই রেজিস্ট্রেশন করে নিয়েছেন। বিহার এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এখানে 3 লক্ষের বেশি কৃষক এই যোজনায় রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এছাড়াও ঝাড়খন্ড এবং উত্তরপ্রদেশে আড়াই লক্ষ কৃষক রেজিস্ট্রেশন করেছেন। রেজিস্ট্রেশন করা কৃষকদের বেশির ভাগেরই বয়স 25 থেকে 35 বছরের মধ্যে রয়েছে।

এই যোজনায় নিজের নাম নথিভুক্ত করতে হলে কী কী থাকতে হবে সেই সম্পর্কে নীচে আলোচনা করা হলো –
এই যোজনায় 18 থেকে 40 বছর বয়সের মধ্যে কৃষকরা নিজের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। এছাড়াও যে কৃষক নিজের নাম নথিভুক্ত করতে চান তার 5 একর অর্থাৎ 2 হেক্টর জমি থাকতে হবে। এ যোজনা ন্যূনতম 20 বছর এবং সর্বোচ্চ 40 বছরের জন্য করা যাবে। এই যোজনায় কৃষকরা সর্বনিম্ন 55 টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 200 টাকা পর্যন্ত প্রতি মাসে জমা দিতে পারবেন। যদি কোনো কৃষক আঠারো বছর বয়সেই তার নিজের নামে যোজনা নথিভূক্ত করেন তাহলে তাকে প্রতি মাসে 55 টাকা করে দিতে হবে অর্থাৎ বছরে 660 টাকা।

এবং কোন কৃষক যদি 40 বছর বয়সে নিজের নাম নথিভুক্ত করেন তাহলে তাকে প্রতি মাসে দুশ টাকা করে দিতে হবে অর্থাৎ বছরে 2400 টাকা। এই যোজনায় নাম নথিভুক্ত করার জন্য কৃষকদেরকে কমন সার্ভিস সেন্টারে যেতে হবে। রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কৃষকের আধার কার্ড, জমির কাগজের ফটোকপি, দু’কপি ফটো এবং ব্যাংকের পাসবুক লাগবে।তবে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কৃষকদের আলাদাভাবে কোন চার্জ দিতে হবে না। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেলে কৃষকদের একটি পেনশন ইউনিক নাম্বার এবং পেনশন কার্ড দেওয়া হবে।

এই যোজনায় অন্তর্গত কৃষকদের 60 বছর হয়ে গেলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে প্রত্যেক মাসে 3000 টাকা করে পেনশন দেওয়া হবে। যদি কোনো কারণবশত ওই কৃষকের মৃত্যু হয়ে যায় তাহলে তার স্ত্রী 50% পেনশন পাবেন। যদি কোন কৃষক সময়ের আগেই এই স্কিম থেকে বেরিয়ে যেতে চান তাহলে তার টাকা ডুবে যাবে না। সেই বিষয়ে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনি যত টাকা জমা দিয়েছেন সেই টাকা ব্যাংকের সুদের হার অনুযায়ী ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে।

Related Articles

Back to top button