Categories
দেশ নতুন খবর বিশেষ লাইফ স্টাইল

করোনা সংক্রমণ থামলেও দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ গুলিতে লাগু করা হবে নতুন নিয়ম

যেভাবে দেশজুড়ে করোনা সংক্রমণের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তার জেরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আবারও দেশজুড়ে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছেন আর এবার এই তৃতীয় দফার লকডাউনটি চলবে আগামী 17 ই মে পর্যন্ত। এর আগে টানা এতদিন ধরে মানুষ কখনো ঘরবন্দি থাকেনি, তাই একথা বলা যেতে পারে COVID-19 সর্বোপরি মানুষের জীবন যাপন এর মধ্যে বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসবে পরবর্তী জীবনেও। আর একবার এই লকডাউন এর পর্ব শেষ হলে যখন স্কুল কলেজে ক্লাস রুম গুলি খোলা হবে তখন নতুন নিয়ম শুরু করা হবে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এমনটাই জানিয়েছে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

আর এই যে নতুন নিয়মগুলি রয়েছে সেগুলি মন্ত্রকের স্কুল এডুকেশন এন্ড লিটেরেসি দফতর তৈরি করেছে। এ বিষয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিজের মত প্রকাশ করতে গিয়ে জানিয়েছেন যখনই স্কুল কলেজ বা অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হবে তখন সেখানেও সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আর পড়ুয়াদের সুরক্ষার জন্যই এই নিয়ম মান্য করা হবে। এতদিন ক্লাসরুমে যেভাবে পড়ুয়ারা বসতো তাতে পরিবর্তন আনা হবে , সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বজায় রেখে কতটা দূরত্বে কিভাবে বসার ব্যবস্থা করা হবে এই নিয়ে চলছে এখন আলোচনা। তবে যেমনটা আমরা জানি সাধারণত একটি ক্লাসরুমে 30 থেকে 40 জন পড়ুয়ার বসার ব্যবস্থা থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আর বেশিরভাগ স্কুলের দুই বা তার বেশি অধিক পড়ুয়ারা একটি বেঞ্চে বসে এক্ষেত্রে বেঞ্চের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী বেশি সংখ্যক পড়ুয়ারাও বসে।অতএব এবার থেকে ডিসটেন্স বজায় রাখার সঙ্গে স্কুলে কতজন পড়ুয়া বসতে পারবে সেদিকে নজরদারি দেওয়া উচিত পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গার প্রভাবের জন্য সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের আগের মতো করে ক্লাস চলবে কীনা তা নিয়ে চলছে এখাধিক প্রশ্ন।

প্রাইমারি বিভাগে ক্লাসগুলি সকালে ও সেকেন্ডারি বিভাগের ক্লাসগুলো দুপুরে হয়ে থাকে। আর এই বিষয় নিয়ে এডুকেশন অ্যান্ড লিটারেসির এক আধিকারিক জানিয়েছেন এক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকা, পড়ুয়া ও কর্মীদের নিরাপত্তা কথা মাথায় রেখেই দূরত্বের দিকে নজরদারি দেয়া হচ্ছে। আর এই বিষয়ে নতুন নিয়মাবলী রাজ্যগুলির সঙ্গে শেয়ার করা হবে আগামী দিনে যাতে তারা স্কুল খোলার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা দিকটাও নিশ্চিত করে রাখতে পারে তারজন্যই এরকম এক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অন্যদিকে এই বিষয়ে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ইউজিসি তরফ থেকে যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে সেখানে জানানো হয়েছে আগস্ট ভর্তির প্রক্রিয়া চলবে এবং সম্ভবত শিক্ষাবর্ষ শুরু করা হবে সেপ্টেম্বর থেকে। তাছাড়া তাদের তরফ থেকে অনলাইন পড়াশোনার ব্যাপারে আরও অনেক খানি জোর দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত দেশজুড়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে গত 16 মার্চ থেকে দেশের সমস্ত স্কুল-কলেজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলিকে বন্ধ রাখা হয়েছে।