গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের জন্য আনা হল নতুন নিয়ম! না জানলে পড়তে পারেন বড়ো সমস্যায়, এখুনি জানতে

আপনি কি নিয়মিত মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালান? বা আপনার কোন পরিচিত চালায় তবে জেনে নিন কিছু নতুন নিয়ম যা মোটর-সাইকেল বা গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে চালু হল। গাড়ির আলো চালানোর ক্ষেত্রে চালু হলো কিছু বিশেষ নিয়ম কানুন। বর্তমানে মোটরসাইকেল অথবা চার চাকার গাড়িতে বিভিন্ন রকমের মডিফাইড আলো লাগানো হচ্ছে লাল- নীল- সবুজ বিভিন্ন রকমের আলো লাগানো থাকছে । মোটর সাইকেলের হেন্ডেলবার কিংবা হেডলাইটে অথবা মোটরগাড়ির হেডলাইটে মডিফিকেশন হচ্ছে।

এতে গাড়ি যেমন দেখতে সুন্দর লাগছে তেমনি গাড়ি চালাতেও চালকের অনেক সুবিধা হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু এর ফলে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এই ধরনের চোখ ধাঁধানো আলো লাগানোর ফলে অপর দিক থেকে আসা চালকেরা অসুবিধায় পড়ছে, চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে তাদের। দুর্ঘটনার প্রবণতা আরো বাড়ছে। ইতিমধ্যে ঘটে গেছে বেশ কিছু মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত আলোর ব্যবহার করা হচ্ছে মোটর সাইকেল অথবা চার চাকার গাড়িতে। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে মোটরসাইকেলে মাঝখানে এমনভাবে লাইট লাগানো হচ্ছে যাতে দূর থেকে মনে হচ্ছে চার চাকার গাড়ি আসছে। অনেক সময়ই বোঝা যাচ্ছে না এটি চার চাকার যান না দু চাকার! । চার চাকার মত মোটরসাইকেলেও অহেতুক ফ্লাড লাইটের মত জোরালো এলইডি লাইট লাগানো হচ্ছে।

সম্প্রতি লালবাজার পুলিশের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে এই ধরনের দুই চাকার অথবা চার চাকার যানে অতিরিক্ত লাইট লাগানোর ক্ষেত্রে আগেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্বেও চালকেরা তা মানছেন না অহেতুক জোরালো লাইট লাগানো হচ্ছে গাড়িতে। যার ফলে বর্তমানে দুর্ঘটনার প্রবণতা আরো বেড়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে শহরে বেশ কিছু ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর পুলিশ এবং প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছেন। আরো কড়াকড়ি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ট্রাফিক পুলিশকে।

তবে বর্তমানে পুলিশ আরো কড়াকড়ি করছে এই ধরনের গাড়ির উপর। ট্রাফিকের থামানো হচ্ছে এ ধরনের গাড়ি । অহেতুক এলইডি লাইট লাগানো থাকলে ধরা পড়লেই সাথে সাথে সেই লাইট খোলা হচ্ছে। তবে এই গাড়িকে ছাড়া হচ্ছে । এছাড়া যারা এই সমস্ত নিষেধাজ্ঞা মানছে না তাদের জন্য কিছু আইনি দাওয়াই তো আছেই। ইতিমধ্যেই পুলিশ বিভিন্ন গ্যারেজ গুলিতে এবং মডিফিকেশন শপগুলোতে টহল দিচ্ছে। অতিরিক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় জোরালো এলইডি আলো লাগানো হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গোড়া থেকেই এই সমস্যা নির্মূল করতে চায় কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ।