রোজভ্যালি কাণ্ডে নতুন মোড় নিয়ে এলো ইডি। পেলো নতুন সম্পত্তির হদিশ ….

এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এলো রোজভ্যালি কান্ডকে নিয়ে। এই বছরের আগস্ট মাসে রোজভ্যালি কাণ্ডে প্রথম চার্চ সিট জমা করা হয়। এবার ইডি    (এনফর্সমেন্ট ডাইরেক্টর ) দ্বিতীয় চার্জশিট জমা করলেন এবং তাতে উঠে এলো রোজভ্যালির এক অজানা সম্পত্তির হদিস। অনেক দিন কেটে গেলেও এখনও নিজের টাকা ফিরে পাইনি সাধারণ মানুষ। রোজভ্যালির পুরো সম্পত্তির বাজেপ্ত করতে পারেনি তদন্তকারী সংস্থা । তাহলে কি সাধারণ মানুষ তাদের রক্ত জল করে কমানো টাকা ফিরে পাবে না? ইতিমধ্যেই তদন্তকারী সংস্থা হাওড়ার ধুলাগড় ফুড পার্কে খুজে পেলো এক বিশাল সম্পত্তি ।শুধু তাই নয়, সেখানে এখনও পর্যন্ত রমরমিয়ে ব্যাবসা চালাচ্ছে দুটি সংস্থা । একটি নামিদামি সংস্থা আর একটি ঠান্ডা পানীয় জল তৈরির সংস্থা ।

তদন্তকারী সংস্থা ব্যবসায়ী সুদীপ রায় চৌধুরীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। ইডি এই তল্লাশি জানিয়ে প্রচুর নথি উদ্ধার করে এবং সম্প্রীতি সুদীপ রায় চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে নেয় , কিন্তু যদিও তিনি এখন জামিনে মুক্ত।তদন্তকারী সংস্থা সুদীপ্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে জামিনকে খারিজ করার অভিযোগ জানিয়েছে। তার নামে অভিযোগ উঠেছে , তিনি নেতা নেতা মন্ত্রীদের নাম করে মার্কেট থেকে প্রচুর পরিমাণ টাকা উঠিয়েছেন। শুধু তাই নয় ,তিনি এই টাকা বেনামি ব্যবসাতে খাটিয়েছেন এবং তার নামে বেনামি প্রচুর সম্পত্তি ও রয়েছে। এছাড়াও ইডি, হাওড়া লেক মার্কেট ঠাকুরপুকুর এছাড়াও মোট ছয়টি গয়নার বিপনীতে তল্লাশি চালায়। কিছুদিন আগেই গয়নার দোকানে ইডির তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে।

শুধু তাই নয়, কোটি কোটি টাকার হিরে ও সোনার গয়না ও পেয়েছে উদ্ধারকারি স্থান থেকে ।বিগত ২০১৮ ই আগস্ট মাসে প্রথম যখন জমা করা হয়, তখন মামলা দায়ের কারী সংস্থা থেকে জানা যায় প্রায় ১৭ হাজার ৫২০ কোটি টাকার প্রতারণার চার্জশিট মামলা দায়ের করা হয়েছে ইডির তরফ থেকে।