নয়া বিজ্ঞপ্তি রাজ্য সরকারের! এবার থেকে সরকারি কর্মীদের পেনশন তুলতে প্রয়োজন হবে আঙ্গুলের ছাপ সহ…

এবার রাজ্য সরকার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য আধার কার্ড জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছে।এবার লাইভ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার সময় আঙ্গুলের ছাপের মাধ্যমে আধার নম্বর যাচাই করনের ব্যবস্থা চালু করা হতে চলেছে। আর এই বিষয় নিয়ে গত 25 শে অক্টোবর একটি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে অর্থ দপ্তরের তরফ থেকে। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির অনুযায়ী বলা হয়েছে “জীবন প্রমান” পোর্টাল সাইটের মাধ্যমে ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট অনলাইনে করা হবে এই আবেদন।

আর এই ব্যবস্থা পারিবারিক পেনশন প্রাপকদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।যদিও এই বিষয় নিয়ে অর্থ দপ্তরের তরফ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এটা করা বাধ্যতামূলক নয়। এক্ষেত্রে যদি পেনশন প্রাপকরা চায় তাহলে তারা এতদিন যেভাবে এই ফর্ম পূরণ করে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিতেন সেটাও ভবিষ্যতে তারা করতে পারেন।অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের পেনশন ও পারিবারিক পেনশন প্রাপকদের ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট আগেই চালু করে দেওয়া হয়েছে এমনটা বাংলায় প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়েছে এর আগেই। আর সেটা যদি না দেওয়া হয় তাহলে পেনশন বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে নভেম্বর মাসে ব্যাংকে গিয়ে লাইফ সাপোর্ট জমা দিতে হয়। যদিও এই বিষয় নিয়ে ওই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে এবার প্রথম 80 বছরের বেশি বয়সী পেনশন প্রাপকদের ক্ষেত্রে  অক্টোবরে লাইফ সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর এই প্রক্রিয়া যদি পুরোপুরি চালু করা হয় তাহলে সরকার মনে করছে আগামী দিনে এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আরও স্বচ্ছতা আসবে।

তাছাড়া ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বহু কাজেই ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে হয়ে থাকে অর্থ দপ্তরের আইএফএমএস পোর্টালের মাধ্যমে এখন যাবতীয় কাজ হয়ে যায়। কারণ এতদিন পর্যন্ত লাইভ সার্টিফিকেট এর ব্যাপারটা ডিজিটাল করা হয়নি।তাই পেনশন প্রাপকরা লাইভ সার্টিফিকেট এর জন্য যে ফর্ম জমা দিতেন আর সেটা ব্যাংকে তার সংশ্লিষ্ট ট্রেজারিতে যেত। তারপরই ট্রেজারির তরফ থেকে পেনশন চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হত। এর ফলে অনেক কর্মীদের সমস্যায় পড়তে হতো। আবার অনেক সময় ফর্ম জমা পড়লেও পেনশন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতো।যার ফলে এইসব কর্মীদের পেনশন চালু করার জন্য ট্রেজারিতে দৌড়াদৌড়ি করতে হত।
আরেকটি কথা ফর্ম জমা দেওয়ার সাধারণত ব্যাংকে তরফ থেকে কোন মেইল দেওয়া হয় না ফলে একটা সমস্যাটা থেকেই যায়। সেই কারণেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিষয়টিকে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।আর এই প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যাংক এ গিয়ে আঙ্গুল ছাপের মাধ্যমে পেনশন প্রাপকদের মোবাইলে আইডি নম্বর সহ মেসেজ এসে যাবে। ফলে ডিজিটাল সার্টিফিকেটের জন্য যে আবেদন জীবন পোর্টালে জমা পড়ে গিয়েছে এর প্রমাণ তাদের কাছে চলে আসবে।আর পরের দিন আই এফএমএস ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চালিয়ে পেনশন প্রাপকদের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে জানিয়ে দেবেন যে ডিজিটাল সার্টিফিকেটের জন্য তারা যে আবেদনটি দিয়েছেন সেটি গৃহীত করা হয়েছে না বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।তবে বলে রাখি এই ডিজিটাল ব্যবস্থা সুযোগ নিতে গেলে পেনশন প্রাপকদের প্রথমে তাদের সংশ্লিষ্ট ট্রিজেরিতে গিয়ে পেনশন বই (পিপিও) ও আধার কার্ডের কপি জমা দিতে হবে।

Related Articles

Close