কেন্দ্রের নতুন ঘোষণা, এবার থেকে হাসপাতলে কোভিড রোগীরা ব্যবহার করতে পারবেন মোবাইল…

যেমনটা আমরা জানি এর আগে কোভিড রোগীরা হাসপাতালে থাকাকালীন মোবাইল ব্যবহার করতে পারতেন না তবে এবার কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে বড় নির্দেশ বেরিয়ে এসেছে যেখানে জানানো হয়েছে এবার হাসপাতালে থাকাকালীন কোন করোনা আক্রান্ত রোগী তার প্রয়োজনীয় মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন।আর ইতিমধ্যে সেই নির্দেশ দিল্লি সরকার পাঠিয়ে দিয়েছে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি কেও। এক্ষেত্রে জানানো হয়েছে রোগীরা যাতে তাদের পরিবার এবং পরিজনদের সাথে যোগাযোগ রাখতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতেই স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করার সময় মানসিক জোর পাবেন রোগীরা। এর আগে এই ঘটনা প্রায়ই লক্ষ্য করা গেছে যেখানে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে অনেক মানুষের একাকীত্ব যন্ত্রণা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এমনিতেই আইসোলেশন এ থাকাকালীন অন্য রোগীর সঙ্গে দেখা করার কোন সুযোগ নেই। এমন কী পিপিই পরা চিকিৎসক ও নার্সেদের মুখ দেখার সুযোগ নেই। আর এইসব কারণে হাসপাতালে অনেকেই সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছিল।

আর এবার এইসব কথা মাথায় রেখেই রোগীদের জন্য কেন্দ্রের তরফ থেকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে দেওয়া সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।প্রসঙ্গত যেমনটা আমরা জানি অনেক রাজ্যেই বা অনেক হাসপাতালেই এক্ষেত্রে রোগীদের কাছে মোবাইল ফোন রাখার কোনো নিয়ম নেই। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বলে রাখি গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়েপ্রতিদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় 50,000 করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই মুহূর্তে ভারতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে 18 লাখেরও বেশি।

তবে এক্ষেত্রে সুখবর হল এটাই যে গত 24 ঘণ্টাতে সুস্থতার হারও বেড়েছে প্রায় 40,000 জনের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ভারতে এই মুহূর্তে সুস্থতার হার দাঁড়িয়েছে 65 শতাংশ। 12 লাখ 30 হাজারের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এই করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর। আর যদি অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের কথা বলা হয় তাহলে পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 78 হাজার 232 টি, এদের মধ্যে এখনো সক্রিয় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন 21 হাজার 683 জন। যাদের মধ্যে 54,818 জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। পশ্চিমবঙ্গে করোনার জেরে মৃত্যু ঘটেছে 1,731 জনের, অন্যদিকে গোটা ভারতের কথা বললে এক্ষেত্রে করোনার জেরে মৃত্যু ঘটেছে 38,938 জনের।