নেহেরুর তিনটি ভুল সিদ্ধান্তের মাশুল গুনতে হচ্ছে আজও ভারতকে, জানুন কী সেই তিনটি ভুল সিদ্ধান্ত …

এই ব্যাপারে আপনারা সবাই সচেতন যে ভারত পাকিস্তান – এর মধ্যে একটা বিতর্কে পরিস্থিতি বহু বছর ধরে চলে আসছে যার মুখ্য কারণ হল তাড়াতাড়ি মধ্যে করা ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পার্টিশন। যার পরিণামে কত মানুষ তাদের জীবন হারিয়েছে। আর এই বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলার ফলে যে ভারতীয় 44 জন সিআরপিএফ জওয়ান শহীদ হয়েছেন তাদের নিয়ে এখন রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে প্রত্যেকটি ভারতীয় উত্তপ্ত। আর তার পরেই সকল ভারতবাসী এই জঙ্গি হানার উপযুক্ত বদলা চাইছে পাকিস্তানের কাছ থেকে। একই সাথে তথ্য অনুযায়ী জানতে পারা যায়, ভারত এখনো জওহরলাল নেহেরুর দ্বারা করা তিনটি ভুলের শাস্তি ভোগ করছে।

আপনাদের সুবিধার্থে বলে দি, স্বাধীনতার সময় ভারতে প্রায় 600 টি রাজকীয় রাজ্যের মজুরীর জন্য নতুন নিয়ম-কানুন তৈরি করা হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় ডজন রাজকীয় রাজ্যকে ছেড়ে সর্দার প্যাটেলের ইচ্ছার সাথে ভারতে নতুন নিয়ম কানুন গুলি লাগু করা হয়েছিল, কিন্তু কাশ্মীরে রাজকীয় রাষ্ট্রের ইস্যুটি প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু অপরিবর্তিত রেখে নিজের কাছে রেখে দেন, আর তখন থেকে করা নেহরুর তিনটি ভুলসিদ্ধান্তের ধকল আজও ভুগতে হচ্ছে গোটা দেশকে, যে তিনটি ভুল তিনি করেছিলেন সেগুলি হল এই প্রকার।

প্রথম ভুল:- সাল 1948 যখন ভারত পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল তখন ভারতীয় সেনাবাহিনীরা পাকিস্তানকে পরাস্ত করতে সফল হয়েছিল এবং পাকিস্তানের বেলুচিস্তান দখল ও করেছিল।শুধু তাই নয়, ভারতীয় সেনা বাহিনীর সাথে রীতিমত যুদ্ধে পাকিস্তান পরাজিত হয় এবং বেলুচিস্তানে থাকা সমস্ত উপজাতীয় দলগুলি সংসদে একটি প্রস্তাবও পাস করেন যার মধ্যে তারা বলেন যে তারা ভারতের সাথে বসবাস করতে চান সেই সময়ই হঠাৎ করে পন্ডিত নেহেরু যুদ্ধ সমাপ্ত করার ঘোষণা করে দেন।

দ্বিতীয় ভুল:- জওহরলাল নেহেরু নিজেই কাশ্মিরের সমস্যাটিকে UN এ নিয়ে চলে যান। যার দরুন পাকিস্তান এর পুরোপুরি সুবিধা পেয়ে যায় এমনকি এখনও পর্যন্ত এই বিষয়টি জাতিসংঘের কাছে আটকে রয়েছে এবং প্রতিবছর এটি নিয়ে আলোচনা করা হয়। শুধু তাই নয়, প্রত্যেক সময় জাতিসংঘের  কাছে ভারতকে এই বিষয়ে বিব্রত হতে হয়েছে এমন কি এই সমস্যাটির এখনো পর্যন্ত শান্ত হয়নি।

তৃতীয় ভুল:- যদি নেহেরু সেই সময় কাশ্মীরের মহারাজার কথা মেনে নিতেন তাহলে ভারতকে আজ এই কাশ্মীর নিয়ে নানান সমস্যার সম্মুখীন  হতে হতো না এবং ভারতের সমস্ত নিয়ম কানুন কাশ্মীরেও লাগু হয়ে থাকতো। তবে সেই সময় পন্ডিত নেহেরু মহারাজের সেই প্রস্তাবটি গ্রহণ করেননি এবং কাশ্মীর কে একটি বিশেষ রাজ্যের দরজা দিয়ে দেন।

যার দরুন পরবর্তীকালে কাশ্মীরে 370 ধারা বাস্তবায়ন করা হয় এবং আজও যার জন্য যুদ্ধ চলছে। যার ফলে পাকিস্তানি সমর্থকরা এখনও ভারতকে চোখ দেখাতে সাহস পাচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close