“যতই বিতর্কের সৃষ্টি হবে, তত শিক্ষাব্যবস্থা লাভবান হবে” – প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী…

আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতীয় শিক্ষানীতি উচ্চশিক্ষায় রূপান্তরমূলক পুনর্গঠন নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখলেন সকল দেশবাসীর সামনে। আজ শুক্রবার দিন সকাল 11 টা নাগাদ ইউজিসি ও এমএইচআরডি ফেসবুক এবং টুইটার হ্যান্ডেলের সরাসরি সম্পর্কিত হলো প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ। যেখানে তিনি প্রথমেই দেশের শিক্ষানীতিতে এই নিয়ে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তাকে স্বাগত জানালেন। আর তারপর তিনি সকল উপাচার্যদের উদ্দেশ্যে বললেন নতুন শিক্ষানীতি একটি স্বাস্থ্যকর বিতর্কে জন্ম দিয়েছে গোটা দেশজুড়ে এখন, আর আমরা যতই এখন এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো এবং তর্ক করবো ততই শিক্ষা বিভাগের পক্ষে এটি উপকার হবে।

তবে অবশ্যই এই পরিকল্পনা কীভাবে কার্যকর করা হবে তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন হচ্ছে, কিন্তু আমরা সবাই মিলে এটিকে বাস্তবে রূপান্তরিত করবো। আপনারা প্রত্যেকে নতুন শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরিভাবে জড়িত, তাই এক্ষেত্রে আপনাদের দায়িত্ব অনেকটাই রয়েছে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ভার্চুয়াল সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ব- বিদ্যালয়ের উপাচার্য সহ রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক ও প্রাক্তন ইসরোর প্রধান কাস্তরিরঞ্জন। প্রসঙ্গত নতুন শিক্ষানীতি গঠনের পথে থাকা কমিটিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই প্রাক্তন ইসরো প্রধান।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরো জানান যে এই নতুন শিক্ষানীতি আগামী দিনে ভারতকে শক্তিশালী, আত্মনির্ভর উপযুক্ত করার জন্য একুশ শতকের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে । শুধু তাই নয় এক্ষেত্রে 3-4 বছর পরীক্ষামূলক সমীক্ষা চলার পরেই এই শিক্ষানীতি তৈরি করা হয়েছে। আর এর ফলে ভারতের পড়ুয়াদের ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার এর দৌড় থেকে বের করে আনতে হবে। তিনি জানিয়েছেন এক্ষেত্রে শ্রমিক চাষীদের পরিশ্রম সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি হবে নয়া রাষ্ট্র শিক্ষানীতিতে।

শুধু তাই নয় এক্ষেত্রে তাদের কাজকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ দেওয়া হবে তাছাড়া তিনি বলেন প্রয়োজন অনুসারে মাঝপথে পড়াশোনা থামিয়ে দেওয়ার সুবিধা থাকছে এক্ষেত্রে, তাই প্রয়োজনে তারা পরবর্তীকালে আবারও শুরু করতে পারবে লেখাপড়া। আর এক্ষেত্রে চাকরির প্রয়োজন অনুসারে পড়তে পারবেন শিক্ষার্থীরা যা আগামী দিনে অনেকখানি এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।প্রতিভা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন এর চেষ্টা করা হয়েছে এই নতুন শিক্ষানীতিতে উচ্চ শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ভাষণ রাখার সময় এপিজি আব্দুল কালাম ও রবীন্দ্রনাথ কে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।তার পাশাপাশি এক্ষেত্রে এই নতুন শিক্ষানীতিতে দিশা দেখাতে শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ে জোর দেওয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে এই শিক্ষকেরা নিজেদেরকে আপডেট করতে পারে একথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী আজ।