সমস্ত শক্তি লাগিয়ে মোদিকে আবার প্রধানমন্ত্রী করুন বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা নীতিন গডকরী পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, ২০১৯ এ নরেন্দ্র মোদীকে আবার প্রধানমন্ত্রীর সিংহাসনে বসাতে হবে এমনটাই বার্তা দিলেন বিজেপির সমস্ত কর্মীদের। এবার আগত লোকসভা ভোটে কৃষক ও তপশিলি জাতির ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আর তার পরিপ্রেক্ষি তেই গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বিজেপির তপশিল মোর্চা জাতীয় সম্মেলন সমাবেশ। আর সেদিনই  জাতীয় সম্মেলন সমাবেশ এর সূচনা হতে না হতেই বিজেপির দল কর্মীদের পরিষ্কার এই বার্তা দিয়ে দেন নীতিন গডকরী । তিনি সভার সূচনায় মন্তব্য করেন, “সবাই শপথ নিন যে, সমস্ত শক্তি দিয়ে নির্বাচনীতে আবার বিজেপিকে ক্ষমতায় ফেরাবো , শুধু তাই নয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আবার ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে”।

যদিও গডকরীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আবারও আলোচনা- সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। কিছুদিন আগে তিন রাজ্যে বিজেপির হারের পর থেকে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের হারের দায় নিতে হবে বলে এমনটায় তিনি মন্তব্য করেছিলেন। যদিও কথায় আসছিল ,ওই মন্তব্যের পেছনে শীর্ষ নেতা অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ-কে ওই তিনটি রাজ্যে হারের দায় নিতে হবে বলে রাজনৈতিক মহল তুলে ধরেছিল। এছাড়াও সেই সময় রাজনৈতিক মহলের কিছু কিছু জন বলেছিল, বর্ষীয়ান নেতা হল নীতিন গডকরী । আর এর পরিপ্রেক্ষিতেই দলকে যেমন করেই হোক শীর্ষে তুলতে হবে , সেটা বোঝানোর জন্য তিনি কখনই এক পা পিছু হাটেন নি । শুধু তাই নয় ,তিনি আরএসএস এর ঘনিষ্ঠ । তার উঠে আসা মন্তব্যের নিয়ে সমালোচনা হলেও এর  ব্যাপারে বিশেষভাবে তিনি কিছু জানান নি,  যদিও তিনি আবার এখন উল্টো ভাবে কথা বলছেন ।

এছাড়াও তার বক্তব্যে দ্বারা প্রকাশ হয়েছে নরেন্দ্র মোদিকে কেন আবার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসানো উচিত তাও তিনি বলেছেন। তার বক্তব্য,” দেশের যে সব মানুষরা পিছিয়ে পড়েছে তাদের কে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে, আর ভারতবর্ষকে আরো উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে। আর এই প্রেক্ষাপটেই দেশবাসীকে মাননীয় নরেন্দ্র মোদিকে আরেকবার সিংহাসনে বসানো হবে”। আর এই দিনটিতে তিনি জোটের নিয়ম বলেছেন। তিনি বলেন , ” ভালো কাজ করলেই শত্রুর সংখ্যা বাড়তে থাকে, আর সব শত্রু এখন আবার ঘর  বাঁধতে চলেছে। যারা রাজনৈতিক জমি হারিয়েছেন,  তারাই একে অপরের হাত ধরে এখন বিরোধিতা শুরু করেছে “।

এই প্রসঙ্গে তিনি উত্তরপ্রদেশের সমাজবাদী পার্টি এবং বহুমত সমাজবাদী পার্টি কেও তুলে ধরেছেন । তিনি প্রশ্ন করেছেন, ” বিজেপি শক্তিশালী না হলে  ভাইপো কেনো পিসির কাছে যাচ্ছে ?”
তিনি পরিষ্কার  জানিয়ে দিয়েছেন ,” আগামী সময়ে এই জোট আসবে না, যে জোট করতে চাই করুক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি বিরোধীদের যোগ্য জবাব দেবে । বিজেপি কোন মা-ছেলে, বাবা-ছেলে ও পরিবারের দল নয়”।  যদিও আর তার এই বক্তব্য গুলির  কারণেই তাকে সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close