নাগরিক আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভের মধ্যেই কাল রবিবার দিন রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

কেন্দ্র চাইলে রাজ্যগুলি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন মানতে বাধ্য এটা সাংবিধানিক কাঠামোর পরিবর্তন। একথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক CAB বিরোধী রাজ্য গুলিকে সাফ জানিয়ে দিলেন।ইতিমধ্যেই অনেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজেদের রাজ্যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল কার্যকর না করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। যাদের মধ্যে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন, ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং, কমল নাথ এবং ভূপেশ বাঘেল। তাদের মন্তব্য এই বিলিটি অসাংবিধানিক তাই তারা এই বিল মেনে নেবেন না।

আর ইতিমধ্যে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভের আঁচ এসে পড়ে লেগেছে পশ্চিমবঙ্গেও। এই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (Citizenship Amendment Act 2019) এর ফলে হিংসা না ছড়িয়ে রাজ্যবাসীকে গণতান্ত্রিক পথে আন্দোলনের বার্তা দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরই সাথে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন এইভাবে যদি বিক্ষোভ করে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে জনগন তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনত গত ভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি ও দিয়েছেন তিনি।

এমন এক পরিস্থিতিতে আগামীকাল রবিবার দিন রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।বিজেপি সূত্রে পাওয়া খবর থেকে জানতে পারা যাচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কিছু সময়ের জন্য এরাজ্যে আসবেন তিনি নামবেন অন্ডালে এবং এখান থেকে তিনি যাবেন দুমকা।তবে যেমনটা আমরা জানি ঝাড়খন্ডে বিধানসভা নির্বাচন চলছে তার এই মুহূর্তে তিন দফায় ভোটগ্রহণের পর্বও শেষ হয়ে গিয়েছে। আর আগামী 16 ই ডিসেম্বর চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ করা হবে তার আগে একবার নির্বাচনী প্রচারে দুমকা আসতে চলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।

খবর সূত্রে জানতে পারা যাচ্ছে সেখানে শোনা যাচ্ছে যে যাবার পথে দুপুর 1 টা নাগাদ আসবে প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গ বিজেপির প্রাপ্ত খবর থেকে জানতে পারা গেছে খুব অল্প সময়ের জন্য হলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। আর এই দিন রাজ্যের পরিস্থিতি সম্পর্কে কথাবার্তা হতে পারে বিজেপি বঙ্গ নেতাদের সাথে। দেশের নাগরিকত্ব আইনে স্বাক্ষরিত হয়ে গেছে রাষ্ট্রপতির, আর এই নাগরিকত্ব আইন এর দরুন বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা অমুসলিম শরণার্থীদের ভারতীয় হিসেবে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে এই নিয়ে প্রবল আপত্তি রয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতের ভূমিপুত্রদের এবং বিক্ষোভ ভেঙে পড়ে অসম ত্রিপুরা ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে নামাতে হয় সেখানে সেনাবাহিনী। আপাতত সেখানে বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা আর সেই পরিস্থিতির আঁচ এসে পৌঁছেছে এবার পশ্চিমবঙ্গে ও। যার দরুন গতকাল থেকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ। ট্রেন লাইনের ধারে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হচ্ছে করা হচ্ছে ট্রেন, করা হচ্ছে ভাঙচুর ও। এমনকি চলতি ট্রেনে ছোড়া হচ্ছে পাথর, এর জেরে গত 14 ঘন্টায় বাতিল করা হয়েছে 40 টি ট্রেন। এমনকি অনেক জায়গায় বাসেও পর্যন্ত আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

Related Articles

Close