জোর জনসভার আগে বাংলার জন্য বিশেষ বার্তা প্রধানমন্ত্রীর মোদির, জনসভার মধ্যে করতে চলেছেন এই বড় ঘোষণা গুলি।

কিছুদিন আগে অমিত শাহ রাজ্যে এসেছিলেন। অমিত শাহ এর পর এবার রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। শনিবার বাংলাতে তার দুটো সভা করার কথা আছে। প্রথম সভাটি আছে উত্তর 24 পরগনার ঠাকুরনগরে তারপরে সভাটি রয়েছে পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে। শনিবার বাংলায় আসার আগে তিনি টুইট করে বলেন, ” বাংলার ভাই বোনেদের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষায় আছি। আমি ঠাকুরনগরে ও দুর্গাপুরের সভায় উপস্থিত থাকবো।” তিনি টুইটে আরও উল্লেখ করেছেন যে, দুর্গাপুর সভা থেকে রেলের দুটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে। দ্বিতীয় টুইটারে তিনি লিখেন,”রেলের অন্ডাল- সাঁইথিয়া-পাকুর-মালদা ও খানা-সাঁইথিয়া শাখার বৈদ্যুতিকরণ ও হিজলি-নারায়ণগড তৃতীয় রেল লাইন জাতির উদ্দেশ্যে তৈরি করে দেওয়া হবে।

নরেন্দ্র মোদী কে দিয়ে 8 ফেব্রুয়ারি বিগ্রেড করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। কিন্তু দিল্লি বিজেপি এই পথে না গিয়ে একাধিক সভা করার কথা ভেবে রেখেছে। সকাল 11 টা 15 মিনিটে কলকাতা বিমানবন্দরের নরেন্দ্র মোদীর বিমান অবতরণ করবে। সেখান থেকে ঠাকুরনগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। মতুয়া মহাসঙ্ঘের সভায় তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে বিজেপির তরফ থেকে। বিজেপি ব্যানার দেওয়া না থাকলেও এটি আসলে তাদেরই সভা। শনিবার শুধুমাত্র মোদী আসছেন না, তার সাথে রাজ্যে আসছে রাজনাথ সিং। তিনি কোচবিহার মাথাভাঙ্গা এবং জলপাইগুড়ি ফালাকাটায় জনসভা করবেন। কিছুদিন আগেই লোকসভায় নাগরিকত্বের বিল পাস করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই বিল কার্যকর হলে আফগানিস্তান,পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন অসুবিধা হবে না।

এই বিলটির বিরোধিতা করেছিল তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী এই সভাতে নিশ্চিত ভাবে এই প্রসঙ্গ টেনে এনে তৃণমূলকে নিশানা করবেন। অমিত শাহ রাজ্যে এসে কিছুটা আভাস দিয়ে গেছেন। হিন্দুদের নাগরিকত্ব দিতে তৃণমূলের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে বলে মোদী অভিযোগ তুললেন। নাগরিকত্বের ইস্যু হলে দেশভাগের পর ওপার থেকে আসা উদ্বাস্তুদের আবেগ ও মোদি সরকারের সাথে থাকবে। এছাড়াও লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির শক্তি আরো বেড়ে যাবে। এর আগের সবাই তৃণমূল নেত্রীর ছবি নিয়ে জোরালো আক্রমণ করে গেছেন অমিত শাহ। দিল্লির বিজেপি সূত্রের রিপোর্ট যে এই আক্রমণের চড়া সুর নরেন্দ্র মোদির গলায় দেখা যেতে পারে। শনিবার অনেকদিন পর আবার বাংলায় রাজনীতি পারদ চড়বে বলে রাজনৈতিক মহলে অনেকে মনে করছেন।