ঐতিহাসিক সিধান্ত নরেন্দ্র মোদীর: খুলে দেওয়া হলো সেনার হাত, এবার ভারতীয় সেনার মহাপ্রলয় দেখবে পাকিস্থান।

গতকালের  পুলওয়ামার আতংবাদি হামলা নিয়ে পুরো দেশ উত্তপ্ত রয়েছে। গতকালের এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ জমেছে প্রতিটি ভারতবাসীর মনে এখন একটাই কথা যা একসুরে বদলা জন্য আওয়াজ তুলতে লেগেছে। কালকের এই আতংবাদি ঘটনা এতটাই আঘাত জনক ছিল যে বহু ভারতবাসী গতকাল রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি। পুলওয়ামা সেনা জওয়ানদের কাফেলার পেছনে এক বিস্ফোরক যুক্ত গাড়ি এসে ধাক্কা মারে যার ফলে 45 জন সেনা শহীদ হয়ে যান। এই ধরনের জিহাদ আগে কখনো ভারতে ঘটেনি। আর এর আগে এই ধরনের হামলা ইসলামিক কট্টরপন্থীরা সিরিয়া ও আফগানিস্তানে করে থাকে।

গতকাল থেকে এই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কার্যবাহি শুরু করে দিয়েছে আজ সকালে সেই নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে উচ্চপদস্থ একটি মিটিং ডাকা হয়েছিল।তবে এই মিটিংয়ে দরুন কি কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা সমস্ত কিছু সার্বজনীক না করা  হলেও পাঁচটি সিদ্ধান্তর কথা এই মুহূর্তে ভারতবাসীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে এই পাঁচটি সিদ্ধান্তের মধ্যে এখন দুটি সিদ্ধান্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ যার নিয়ে এখনই আলোচনা করতে চলেছি। প্রথমত আপনারা হয়তো সকলেই জানেন কংগ্রেস আমলে পাকিস্তানকে MFN এর মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। তবে তা আজ থেকে মোদি সরকার বাতিল করে দিয়েছেন এবং পাকিস্তানকে শত্রু দেশ বলে গণ্য করে দিয়েছেন। যার ফলে এবার থেকে একটি শত্রু দেশের সঙ্গে একটি দেশ যে যে ব্যবহার করে ঠিক সে রকম ব্যবহার ভারত ও পাকিস্তানের সাথে করবে। আর দ্বিতীয় যে সিদ্ধান্তটি রয়েছে সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং যা শুনে প্রতিটি ভারতবাসী গর্ব বোধ করবেন।

সেনার হাত খুলে দেওয়া হয়েছে এবার সেনারা ইচ্ছামত যেমন ভাবে খুশি শত্রুদের সাজা দিতে পারে সেনা যদি চাই তারা পাকিস্তানে ঢুকে শত্রুদের সাজা দিতে পারে। আর এমনটা বলা হয়েছে যে সেনা যদি চায় পাকিস্তানে ঢুকে 40 এর বদলে 400 জনকে মেরে আসতে পারে অথবা যুদ্ধ করে পাকিস্তানকে চার টুকরো করে দিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে যার দরুন এবার যেকোনো সময় জিহাদিদের ওপর ভারতীয় সেনার মহাপ্রলয় শুরু হতে পারে। শুধুমাত্র আর কিছু সময়ের অপেক্ষা।