বন্ধুকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! বললেন আমি জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বন্ধুকে হারালাম।

দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী তথা ভারতীয় জনতা পার্টির প্রবীন নেতা এবং একজন বিশিষ্ট আইনজীবী হিসাবে পরিচিত অরুণ জেটলি আজ দিল্লির এইমস হাসপাতালে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। আজ 24 আগস্ট দুপুর 12 বেজে 7 মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। একথা অনেক হয়তো শুনে থাকবেন গত কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতার কারণে এইমস হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন অরুণ জেটলি।

গত বছর 2018 সালে তার কিডনি অপারেশন হয়েছিল আর এরপর থেকেই তিনি অসুস্থ থাকতেন যার দরুন তিনি এবারের লোকসভা নির্বাচনে নিজের নাম নথিভুক্ত করান নি। 9 আগস্ট তাকে শারীরিক অসুস্থতার কারণে দিল্লির এইমস-এ ভর্তি করা হয়েছিল, যেখানে তিনি লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার দিন তিনি ডায়ালাইসিস করেছিলেন। তারপর শুক্রবার দিন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির অবস্থা ধীরে ধীরে খারাপের দিকে এগোচ্ছিল।

শুক্রবার দিন বিজেপির জাতীয় সহ-সভাপতি উমা ভারতী এসে পৌঁছান হসপিটালে অরুণ জেটলি স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিতে। এর আগে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সহ অনেক সিনিয়র নেতা এইমসে পৌঁছে জেটলির খোঁজ নিতে পৌঁছে ছিলেন। আর তারপর আজ দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ খবর আসে যে উনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আজ বিদেশে রয়েছেন আর বিদেশ থেকে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির প্রয়াণের খবর শুনলেন তিনি।বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরশাহী তে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সেখান থেকেই তিনি শোক বার্তা পাঠিয়ে বলেন একজন অত্যন্ত মূল্যবান বন্ধুকে হারালাম আজ আমি। গত কয়েক দশক ধরে ওকে চিনি। জিএসটি , নোট বন্দির মত বড়োসড়ো আর্থিক সংস্কারের সময় অর্থ মন্ত্রকের দায়িত্বে সামলেছিলেন এই অরুণ জেটলি। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন কোন বিষয়ে তার জ্ঞান ও বোঝার শক্তি ছিল অপরিসীম। ওর বহু সুখের স্মৃতি আমাদের মধ্যে রয়ে যাবে তবে ওর চিরদিনই অভাব বোধ করব। এই দিন জেটলি রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী টুইট করে বলেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক দপ্তর সামলেছেন তিনি।

শুধু তাই নয় দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে তার হাত ধরেই সাথে দেশের মানুষের সহায়ক আইন তৈরি হয়েছে। অরুণ জেটলি পেশায় ছিলেন একজন আইনজীবী এবং এছাড়া মোদী সরকারের প্রথম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন তিনি। একজন রাজনীতিবিদ হিসাবে তার স্থান ছিল অনেক উঁচুতে।এইভাবে তিনি চলে যাওয়াই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী খুবই বেদনা পেয়েছেন তা তার করা টুইট থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন :