আমাকে ওরা খতম করতে চাই, আমি শেষ করতে চাই সন্ত্রাসবাদকে। বিহারে বিরোধীদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারে বসার পর থেকেই সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে সর্বদা সতর্ক থেকেছেন নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যে সন্ত্রাস দমনের জন্য বিভিন্ন দেশের মধ্যে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি দিলেও এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজে। মঙ্গলবার এই তা স্পষ্ট বোঝা গেছে। তিনি যে সর্বপ্রথম দেশের সুরক্ষার কথা ভাবেন তা আবারও প্রমাণ মিলেছে। রবিবার বিহারের গান্ধী ময়দান থেকে দেশের ভিতরে ও বাইরে সব সময় তার চৌকিদারের নজরদারির কথা তুলে ধরেছেন এদিন। প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার পর থেকে গত চার বছর ধরে তিনি দেশের হয়ে গোপনে যেভাবে চৌকিদারে কাজ চালিয়েছেন তার কথা তুলে ধরেন এদিনের সভায়। এর পাশাপাশি এই কাজে তিনি কতটা সফল তার নিয়েও বর্ণনা করেন।

 

 

 

দেশের সুরক্ষার পাশাপাশি আরও সমস্ত দিকে যে তার কড়া নজর রয়েছে তা এদিনের সভায় জানান তিনি।
তিনি আরো জানান যে, তার বিরুদ্ধে যতই কুৎসা অপপ্রচার করা হোক না কেন সন্ত্রাস দমনের সিদ্ধান্ত থেকে তিনি এক পা অনড় হবেন না। রবিবারে এই প্রথমবার একই মঞ্চে হয়েছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিহারের উন্নয়নে বিশেষ খুশি হয়েছেন বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি নীতিশ কুমার এর কাজের প্রশংসা করে বলেন নীতিশ কুমার কংগ্রেস সরকারের বঞ্চনা বোঝে। নীতীশ কুমারের প্রশংসায় প্রথমবার করেনি মোদী, এর আগে অনেকবার করেছে। এদিন নীতিশ কুমারের পাশাপাশি বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। তবে শুধুমাত্র রাজনৈতিক দিক থেকে নয় রবিবার বিহারে পুলওয়ামা জঙ্গি হানার পাল্টা জবাব হিসেবে ভারতীয় সেনাদের কৃতিত্বের কথা তিনি তুলে ধরেন।

 

 

এদিনের সভায় সার্জিক্যাল ও এয়ার স্ট্রাইক নিয়ে বিরোধীদের তোলা প্রশ্নের প্রসঙ্গ টেনে আনেন তিনি। তিনি বলেন এই গুলি করে আমাদের ভারতীয় সেনাদের মনোবল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম এই নিয়ে দেশের নেতাদের নিয়ে প্রশংসা করতেও ছাড়েনি। তার নিয়ে বিরোধীরা যাই বলুক না কেন তিনি দমে যাওয়ার পাত্র নন, এটা তিনি এদিনের বক্তব্যে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদ এর জন্মস্থান বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। তাই তিনি কখন কিভাবে জবাব দিতে হবে তা ভালো করেই জানেন।তার বিভিন্ন প্রকল্প গুলি সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, সারা বিশ্বের দরবারে ভারতকে অন্য স্থান দিতে তিনি টানা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষদের সমাজে স্থান দিতে এবং 10 শতাংশ সংরক্ষণের কথা ওই দিন সভায় তুলে ধরেন তিনি।

 

 

 

 

আয়ুষ্মান স্বাস্থ্য যোজনা থেকে শুরু করে অটল পেনশন যোজনা সমস্ত বিষয় নিয়ে খুঁটিনাটি সবাইকে জানান তিনি। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের কটাক্ষ করে মহাজোট বলে সম্মোধন করেন তিনি। মহাজোট ক্ষমতায় থাকলে কোন মতে উন্নয়ন হত না বলে জানান তিনি। তাই বিরোধীরা থাকে খতম করতে চাইলেও তিনি সন্ত্রাসবাদকে খতম করতে চান বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

Related Articles

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Close