370 ধারা, রাম মন্দিরের পর আরো একবার অ্যাকশন মুডে মোদী সরকার! আসছে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল..

দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হওয়ার পর একের পর এক আরো বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখা গেছে নরেন্দ্র মোদীকে। শুধু তাই নয় মোদী সরকারের তরফ থেকে যে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা হয়েছিল সেগুলির সাফল্য লাভ করেছে। তা সে কাশ্মীর থেকে 370 ধারা বাতিল করা তারপর আবার অযোধ্যাতে রাম মন্দির নির্মাণের পর এবার মোদী সরকার আরো এক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চলেছেন যেটি হল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল।

ইতিমধ্যে সেদিকে দৃষ্টিপাত করতে শুরু করে দিয়েছেন তার সরকার। এই নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সদস্য অনিল আগরওয়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে একটি চিঠি লিখেছেন যেখানে তিনি আসন্ন অধিবেশনটিতে এই বিলটি আনার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে। এখন এটি লক্ষ করা উচিত যে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছিলেন।গত কয়েকদিন ধরে বিজেপি সরকার যেভাবে একের পর এক বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং সাফল্য লাভ করেছেন তাতে তাদের আত্মবিশ্বাস আরো অনেকখানি বেড়ে গিয়েছে।

আর এরই মধ্যে নরেন্দ্র মোদী তার ভবিষ্যতে গ্ৰহন করা হবে এমন পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিতে শুরু করে দিয়েছেন।আর এরই মধ্যে অনিল আগরওয়ালের চিঠিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে বেরিয়ে আসছে।তিনি আরও বলেছেন যে যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করার আগে ঈশ্বরের স্মরণ করেন। আর নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময়, রাম মন্দিরের 500 বছরের অপেক্ষা অপেক্ষা শেষ হয়েছিল এবং এখন দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের সময় এসে গেছে।
মনে করে দিই, গত বছর 15 ই আগস্ট পিএম নরেন্দ্র মোদী এই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেছিলেন।

তিনি স্বদেশপ্রেমকে একটি সীমাবদ্ধ পরিবার থাকার সাথে যুক্ত করেছিলেন। গত বছর 15 ই আগস্ট তিনি লালকেল্লা থেকে নিজের বক্তব্য রাখার সময় মত প্রকাশ করেছিলেন এবং দেশবাসীর কাছে এই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন যে জনসংখ্যা বিস্ফোরণ আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য প্রচুর সমস্যা সৃষ্টি করবে আগামীদিনে। তবে এখন এমন একটি সতর্ক শ্রেণীর মানুষও রয়েছেন দেশে, যারা ভাবেন যে একটি শিশুকে সংসারে আনার আগে তারা সেই সন্তানের সাথে ন্যায়বিচার করতে সক্ষম হবে কিনা।

সে যা চায় তার সবই দিতে পারবে কি না। তার পরিবার ছোট, সে অনুসারে দেশপ্রেম প্রকাশ করবে। আমাদের এটি তাদের কাছ থেকে শিখা উচিত। তিনি আরও বলেছিলেন যে যারা ছোট পরিবারের নীতি অনুসরণ করেন তারা জাতির উন্নয়নে অবদান রাখছে এবং এটি দেশপ্রেমেরও এক রূপ।