জনপ্রিয়তার শীর্ষে আবারও বিশ্বসেরা নরেন্দ্র মোদী, পিছনে পড়ে বাইডেন-বরিস সহ আরো অনেকেই

গত বছর থেকেই ভারতবর্ষের মুকুটে জুড়ে গেছে একের পর এক পালক। কখনো অলিম্পিকে সোনা জিতেছে ভারত, কখনো আবার সৌন্দর্যের দিক থেকে বিশ্বসেরা হয়েছে ভারত বর্ষ। এবার রাজনীতির দিক থেকে আরো একবার গর্বিত হলো ভারত বর্ষ। বিশ্বের সমস্ত নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার নিরিখে সকলের উপরে উঠে এলেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অথবা বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মতো হেভিওয়েট নেতাদের পেছনে ফেলে দিয়ে সাধারণ মানুষের প্রথম পছন্দ নরেন্দ্র মোদি। গত বছর নভেম্বর মাসের বিশ্বের মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর গ্রহণযোগ্যতা ছিল ৭০ শতাংশ। তখন তিন নম্বরে ছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

মর্নিং কনসার্ট পলিটিকাল ইন্টেলিজেন্স এর তরফ থেকে এই সমীক্ষা করা হয়েছে। এই সমীক্ষা করা হয়েছিল চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের, নানা সামাজিক অবস্থান মানুষের মতামত গ্রহণ করে এই জনপ্রিয়তা তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর আগেও ২০২০ বছর মে মাসে তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এখন তার জনপ্রিয়তা ছিল ৮৪ শতাংশ। তবে গত বছর মে মাসে জনপ্রিয়তার হার কিছুটা কমে যায়। নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার শতাংশ কমে যায় ৬৩ শতাংশে।

আরো একবার গত বছর সেপ্টেম্বর মাস থেকে গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে শীর্ষস্থানে উঠে আসে নরেন্দ্র মোদি। বিশ্বের যে ১৩ জন শীর্ষ নেতার গ্রহণযোগ্যতা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রয়েছেন ষষ্ঠ স্থানে। তার গ্রহণযোগ্যতার পরিমাণ ৪৩ শতাংশ। জো বাইডেনের পরে রয়েছেন কানাডার প্রেসিডেন্ট জাস্টিন ট্রুডো, তা গ্রহণযোগ্য তার পরিমাণ ৪৩ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনের গ্রহণ যোগ্যতার পরিমাণ ৪১ শতাংশ।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, ফ্রান্স, কানাডা, ভারত, জার্মানি,ইতালি, জাপান, মেস্কিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, স্পেন, ব্রিটেন এবং আমেরিকার প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টের সরকারি শীর্ষ পদাধিকারীদের গ্রহণযোগ্যতা হিসাব রাখে মর্নিং কনসাল্ট পলিটিক্যাল ইন্টেলিজেন্স। প্রত্যেক বছর এতে নির্দিষ্ট সংখ্যক জনগণের ওপর সাতদিনের সমীক্ষা চালানো হয়। জনগণের মতামতের ওপর ভিত্তি করে গড় হিসেব করে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।