ব্রিগেড সমাবেশের রেশ কাটতে না কাটতেই আবার রাজ্যে সভা করার জন্য আসছেন প্রধানমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট আসতে আর মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা দিন রয়েছে। এরই মাঝে সমস্ত দলগুলির ভোটের মাঠে নিজেদের জায়গা দখলের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ভোট প্রচার এখন জোরকদমে চালাচ্ছে তারা। রবিবার অর্থাৎ ৭ মার্চ ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ব্রিগেড সমাবেশ। এই সমাবেশের রেশ এখনো মানুষের মধ্যে থেকে কাটেনি। এরই মাঝে ১১দিনের মাথায় আবার রাজ্যসভা করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

 

রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিজেপি মহল থেকে জোরদার প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ২০টি জনসভা করার কথা আছে। ব্রিগেড সমাবেশের পর প্রধানমন্ত্রী পুরুলিয়াতে জনসভা করতে আসছেন ১৮ মার্চ। এখন কাঁথিতে জনসভা করবেন ২০ মার্চ।

 

নির্বাচনের প্রাক্কালে অমিত শাহের (Amit sahoo) এই রাজ্যে ৪০টি সভা করার কথা আছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে পুরুলিয়া হল বিজেপির একটি শক্ত ঘাঁটি। পঞ্চায়েত নির্বাচন লোকসভা ভোট সবেতেই বিজেপি ওখানে উল্লেখযোগ্য ফল করেছিল। কিন্তু সেইফলেই এবার বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে বিজেপি শিবিরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তবে পুরুলিয়ার কোথায় সভাটি করা হবে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত ভাবে কিছু জানানো হয়নি। এবারের বিধানসভা ভোটে বাংলার হটস্পট হল নন্দীগ্রাম। নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির (Mamata Banerjee) বিপরীতে লড়াই করবেন প্রাক্তন পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) প্রচারে নামছেন। তিনি মেদিনীপুরে একটি সভা করবেন। ২০ মার্চ কাঁথিতে জনসভা করছেন প্রধানমন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় নেতাদের রাজ্যে বারবার আসা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্য তৃণমূল শিবির। তৃণমূল থেকে বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলা হয়েছে যে বিজেপির নাকি রাজ্যে কোনো মুখ নেই তাই বারবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রাজ্যে ছুটে আসতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে বিজেপি মহল থেকে বলা হয় যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) শুধু একজন প্রধানমন্ত্রী নন তিনি হলেন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা তাই বিজেপির লড়াইয়ের জন্য কেন্দ্রীয় বিজেপি শিবির এবং রাজ্য বিজেপি শিবির এক সঙ্গে লড়াই করছে।