আজ রাত 12 টা থেকে গোটা দেশে 21 দিনের লকডাউন, বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির…

যত দিন যাচ্ছে দেশে তত করোনাভাইরাস এর প্রভাব বিস্তার পাচ্ছে আর বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। তাই দেশজুড়ে সংক্রমণ রুখতে একটা বড় অংশের লকডাউন করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফ থেকে। তবে দেশের এমন অনেক জনগণ রয়েছেন যারা এই আইন ভেঙ্গে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং নিজেদের সুরক্ষা ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন তাই মুহূর্তে মধ্যে ভারতে মৃতের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে 12 জন আর আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেছে 500 জনেরও বেশি।

আবার অন্যদিকে রাজ্য নতুন করে দুজনের শরীরে মিলেছে এই নোভেল করোনার ভাইরাসের সংক্রমণ। তাই এবার এই মরণ ভাইরাসকে দ্বিতীয় স্টেজ থেকে তৃতীয় পর্যায়ের সংক্রমণ আটকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সরকার। তবে দেশের জনগণের সচেতনতার অভাবে সেই কাজে উঠছে একাধিক প্রশ্ন। যেমনটা আমরা জানতাম আজ রাত 8 টায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। আর এইদিন ভাষণ শুরু করতে গিয়ে প্রথমেই তিনি দেশের জনগণকে জনতা কারফিউ সফল করার জন্য প্রশংসা করলেন এর পাশাপাশি এই করোনা মোকাবেলায় একমাত্র বিকল্প পথ যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা তা আরেকবার মনে করিয়ে দিলেন তিনি। তবে কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন পরিবার বন্ধু-বান্ধব গোটা দেশকে বড় সমস্যায় ফেলে দিতে পারে তার ফলে ভারতকে একটা বড় অংশের মূল্য চোকাতে হতে পারে যা আন্দাজ পর্যন্ত করা যাবে না। তাই দেশকে বাঁচাতে আবারো একবার বড় সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আজ মঙ্গলবার দিন মধ্য রাত বারোটার পর থেকে গোটা দেশজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউন এর ঘোষণা করলেন তিনি আর এই লকডাউন তিন সপ্তাহ ধরে চলবে। তাই আগামী তিন সপ্তাহ ঘরের মধ্যে থাকার কথা বললেন তিনি। আর এর পাশাপাশি যে যেখানেই আছে সেখানেই থাকার পরামর্শ দিলেন তিনি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী একথাও মনে করে দিলেন যদি কোন ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হচ্ছে সঙ্গে সঙ্গে তার শরীরে দেখা যাচ্ছেনা লক্ষণ এক্ষেত্রে লক্ষণ দেখা দিতে লাগছে সময় আর ততদিনে ওই ব্যক্তি আরো অনেককেই সংক্রমিত করে দিচ্ছে।


তাই আগামী 21 দিনের জন্য বাড়ির বাইরে লক্ষণরেখা টেনে দেওয়ার কথা বললেন তিনি।এই কারণেই আগামী 21 দিন যদি লকডাউন সম্পূর্ণ করা না যায় তাহলে গোটা দেশ আগামী 21 বছরের জন্য পেছনে চলে যেতে পারে এমনটাই আশঙ্কা করা হচ্ছে একথাও তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন। আজ রাত বারোটার পর থেকে গোটা দেশজুড়ে হবে লকডাউন বাড়ি থেকে বেরোনো যাবেনা আর আপনার এবং আপনাদের পরিবারকে বাঁচানোর জন্যই নেয়া হচ্ছে এরকম এক ব্যবস্থা।এর পাশাপাশি করোনা আক্রান্তদের জন্য কেন্দ্র সরকার তরফ থেকে 15 হাজার কোটি টাকা খরচের অনুমোদন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই টাকাটিকে সম্পূর্ণ খরচ করা হবে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে। এটিকে আইসোলেশন ওয়ার্ড, কিট, ভেন্টিলেটরের সংখ্যা দ্রুত বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে। তার পাশাপাশি শুরু হবে মেডিক্যাল ও প্যারামেডিক্যাল ট্রেনিংয়ের কাজও।

Related Articles

Close