কখনো সিবিআই অফিসার, কখনও বা পুলিশ অফিসার কিংবা সাংবাদিক একাধিক ভাবে টাকা হাতিয়ে মানুষকে ঠকিয়েছে বর্ধমানের মুন্না

এই মুহুর্তে গোটা বাংলা জুড়ে করোনা পরিস্থিতির পর বাংলার যে খবর সবথেকে শীর্ষে তা হল,কেউ ভুয়ো সিবিআই অফিসার তো কেউ নকল সেনাবাহিনীর কর্মী। এবারে আরও চাঞ্চল্যকর ঘটানার সম্মুখীন হতে হল পুলিশকে। তদন্ত শুরু করার পর পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ।ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানে। বাংলার যাবতীয় নকল সাজা অফিসারদের এক কথায় টেক্কা দিলো পশ্চিম বর্ধমানের মুন্না। তার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের সাজে মানুষকে প্রতারনা করার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিনি নিজেকে কখনো সিবিআই অফিসার, কখনও বা হিউম্যান রাইটস এর অধিকারিক বা কখনও পুলিশ অফিসার কিংবা সাংবাদিক। মুন্না ডোম, পশ্চিম বর্ধমানের এই বাসিন্দা কখনো এম কে সিং কখনও আবার রোহিত মল্লিক। যখন যেভাবে পেরেছেন সাধারণ মানুষের জন্য প্রতারণার ফাঁদ পেতে রেখেছিলেন মুন্না। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি মানুষকে চাকরি দেবার নাম করে কিংবা কাউকে বড় অফিসার সেজে ব্ল্যাকমেইল করে তার থেকে টাকা নিয়েছেন।

নবীন প্রজন্মের কাজ আর ভাল লাগে না, নাম না করে দেব-অঙ্কুশ-সোহম কে ধুয়ে দিলেন বিপ্লব চ্যাটার্জী

লকডাউনের মধ্যে পুলিশ সেজে জোর করে বাইক আরোহী, দোকানদার ও সাধারণ মানুষের থেকে টাকা আদায় করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় মুন্না, স্থানীয়রা তাকে নিয়ে যায় থানায়। পুলিশ তার থেকে নকল সিবিআই অফিসারের কার্ড, ; মানবধিকার সংগঠনের কার্ড, প্রেস কার্ড বাজেয়াপ্ত করেছে, এবং পুলিশ লেখা তার দু চাকা গাড়ি ও চারচাকা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে।

ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক অভিযোগ মুন্নার বিরুদ্ধে আসতে শুরু করেছে। চিত্তরঞ্জনের বাসিন্দা শালিনী শর্মা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তাকে রেলে চাকরি দেবার নাম করে তার থেকে ১০ লক্ষ টাকা নিয়েছে মুন্না, এবং চিত্তরঞ্জনের আর এক বাসিন্দা প্রিয়া কুমারী মুন্না বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকা জালিয়াতির অভিযোগ দায়ের করেছেন।