দুঃসময় কাটছে না মুকেশ আম্বানির! ধনী ব্যক্তিদের তালিকা থেকে আরও একধাপ নীচে রিলায়েন্স কর্তা

সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani)। এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তির তকমা হারিয়েছিলেন আগেই।   এবার বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনী ব্যক্তিদের  তালিকাতেও একধাক্কায়  আরও নিচে নেমে গেলেন। ব্লুমবার্গের তালিকার সেরা দশ থেকে ছিটকে এগারো নম্বরে নেমেছিলেন কিছুদিন আগেই সেই খবর প্রকাশ পায় । এবার তাঁর স্থান হল তেরোয়।

মুকেশ আম্বানি

বর্তমানে মুকেশ আম্বানির মোট সম্পত্তির মূল্য ৭৩.৪ বিলিয়ন ডলার। ভারতীয় মুদ্রার হিসেবে ৫.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা। ২০২০ এর গোড়ায় মুকেশ আম্বানির সম্পত্তির প্প্রিমাণ ছিল  প্রায় ৯০ বিলিয়ন ডলার বা ৬.৬২ লক্ষ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত এক বছরে মোট সম্পত্তির পরিমাণ কমেছে  ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।

কিন্তু কেন এমন হল দেশের ধনীতম ব্যক্তির? ২০২০ এর আগস্টেও ব্লুমবার্গের তালিকায় চার নম্বরে ছিলেন তিনি। মাত্র কয়েক মাসে বেশ কয়েক ধাপ নেমে যেতে হয়েছে। আসলে গত তিন মাসে রিলায়েন্সের (Reliance Industries Limited) শেয়ার হু হু করে পড়েছে। এর ফলেই কমেছে আম্বানিদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ।

২৪,৭১৩ কোটি টাকার বিনিময়ে ‘ফিউচার গ্রুপ’-এর খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা এবং লজিস্টিক্স ও ওয়্যারহাউজিং ব্যবসা কিনে নিয়েছিল রিলায়েন্স ২০২০ এর অগাস্টে৷  সেই সময় সংস্থার শেয়ার দর হয়েছিল সর্বোচ্চ৷  সেখান থেকে ১৮.৩ শতাংশ পড়ে গিয়েছে শেয়ারের অঙ্ক। এর অন্যতম কারণ মার্কিন ই-কমার্স সংস্থা  আমাজনের সঙ্গে রিলায়েন্সের ব্যবসায়িক বিরোধ।

কী কারণে বঙ্গ থেকে ফুড়ুৎ শীতের হাওয়া, রাজ্যে কনকনে ঠাণ্ডা ফেরার দিনক্ষণ জানাল আবহাওয়া দফতর

মুকেশ আম্বানির সংস্থার সঙ্গে ‘ফিউচার গ্রুপ’-এর চুক্তি নিয়েই আমাজন আপত্তি জানায় । গত বছরই ‘ফিউচার কুপনসে’ প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে তারা। এই অবস্থায় ‘ফিউচার গ্রুপ’ রিলায়েন্সকে সব সম্পত্তি বেচে দেওয়াতেই তাদের আপত্তি৷ এই বিতর্ক ও প্রতিবাদের জেরে ক্রমশ কমছে আম্বানির সংস্থার শেয়ার দর।

এই পরিস্থিতি থেকে  ঘুরে দাঁড়াতে ই-কমার্স ও অন্যান্য ক্ষেত্রে জোর দিতে পারেন মুকেশ আম্বানি। যদিও বিনিয়োগকারীরা দ্রুত লাভ পাবেন  এমনটা বলা যাচ্ছে না৷ রোজগার বৃদ্ধির কাজটা কঠিনই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।