আদানিকে পেছনে ফেলে আবারও এশিয়ার সবচেয়ে বড় ধনকুবের হওয়ার মুকুট ছিনিয়ে নিলেন আম্বানি

রিলায়েন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি আর এশিয়ার সবচেয়ে ধনী নন। তাঁকে আবারও দুই নম্বরে ঠেলে দিয়েছেন গৌতম আদানি। যদিও ভারতের দুই শিল্পপতিই এখনো বিশ্বের কোটিপতিদের মধ্যে শীর্ষ দশে রয়েছেন। ফোর্বসের রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ার তালিকায় মুকেশ আম্বানি ৭ নম্বরে এবং গৌতম আদানি ৬ নম্বরে রয়েছেন। উভয়ের মধ্যে মাত্র ০.৪ বিলিয়ন ডলারের ব্যবধান রয়েছে, যা আজও মুছে ফেলা যেতে পারে।

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি শেয়ার বাজার খোলার সাথে সাথেই আরআইএলের শেয়ারের পতনের কারণে তাঁর মোট সম্পত্তি ২.৫ বিলিয়ন ডলার হারিয়েছেন। তিনি ফোর্বসের রিয়েল টাইম বিলিয়নেয়ার সূচকে সপ্তম স্থান থেকে অষ্টম স্থানে নেমে গেছেন। এখন আম্বানি ও আদানির মোট সম্পত্তির ব্যবধান রয়েছে ২.২ বিলিয়ন ডলার। মুকেশ আম্বানির মোট সম্পত্তি আজ ৯৬.১ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

একই সময়ে, গৌতম আদানির সম্পত্তি ১.৯৭ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে এবং এখন তাঁর সম্পত্তি ৯৮.৩ বিলিয়ন ডলার। বিশ্বের এক নম্বর কোটিপতি ইলন মাস্ক, যিনি একসময় ৩০০ বিলিয়ন ডলার সম্পত্তির মালিক ছিলেন, তাঁর সম্পত্তিএখন মাত্র ২০৬ বিলিয়ন ডলার, তবে সম্প্রতি তাঁর সম্পত্তি বেড়েছে ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে আছেন বার্নার্ড আর্নল্ট, যাঁর মোট সম্পত্তি ১৩৭.৩ বিলিয়ন ডলার। একসময় বিশ্বের এক নম্বর কোটিপতি জেফ বেজোসের সম্পত্তি ২০০ বিলিয়ন ডলার থেকে ১২৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

একই সময়ে, চার নম্বরে থাকা মার্ক জুকারবার্গ এখন মাত্র ৫৯ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে ১৮তম স্থানে এসেছেন। ১২১.৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে চার নম্বরে রয়েছেন বিল গেটস। ওয়ারেন বাফেট ১০০.২ বিলিয়ন ডলার নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। গৌতম আদানি ৯৭.৮ বিলিয়ন ডলার নিয়ে ষষ্ঠ এবং মুকেশ আম্বানি ৯৭.৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন। ল্যারি এলিসন ৯৬.৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে অষ্টম স্থানে এবং ল্যারি পেজ ৯২.৫ বিলিয়ন ডলার নিয়ে নবম স্থানে রয়েছেন। সের্গেই ব্রিন ৮৯.১ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি নিয়ে দশম স্থানে রয়েছেন