নতুন কাজ শুরু করার আগে এই বাবাদের পরামর্শ নেন মুকেশ আম্বানি, 5G লঞ্চের সাথেও রয়েছে তাদের বড় সংযোগ

ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তি মুকেশ আম্বানি প্রতিদিন কোনো না কোনো কারণে খবরের শীর্ষস্থানে উঠে আসেন। এশিয়ার দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি এবং রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রির মালিক গত সোমবার অর্থাৎ ১২ সেপ্টেম্বর রাজস্থানের রাজসমন্ড জেলার নাখদারা শহরে অবস্থিত শ্রীনাথজি মন্দিরে পৌঁছেছিলেন। এই মন্দিরে তিনি অনন্ত আম্বানি, ভাবি পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট এবং কোম্পানির পরিচালক মনোজ মোদির সঙ্গে এসেছিলেন।

এই মন্দিরে পৌঁছলে মুকেশ আম্বানি সহ সকলকে স্বাগত জানান তিলকায়ত মহারাজের পুত্র এবং মন্দিরের মহন্ত বিশাল বাবা। মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবারের সঙ্গে প্রায় এক ঘন্টা আলাপচারিতা করেন তিনি। বিশাল বাবার সঙ্গে মুকেশ আম্বানির আলাপচারিতার বিভিন্ন ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে হয়েছে ভাইরাল। স্বাভাবিকভাবেই সকলের এই বাবাকে নিয়ে নিজের কৌতূহল প্রকাশ করেছেন।

আসলে মুকেশ আম্বানির পরিবার বরাবরই শ্রীনাথ মন্দিরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই মন্দিরের প্রতি অগাধ বিশ্বাস ছিল ধীরুভাই আম্বানি এবং তাঁর স্ত্রী কোকিলাবেনের। একই পথ অনুসরণ করে মুকেশ আম্বানি এবং নীতা আম্বানি নিজেদের জীবনের সমস্ত শুভ মুহূর্ত উদযাপন করার আগে এই মন্দিরে এসে বাবার আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এবারেও তার অন্যথা হয়নি।

অনন্ত এবং রাধিকার বিয়ের আগে মুকেশ আম্বানি বাবার আশীর্বাদ নিতে পৌঁছে গিয়েছিলেন মন্দিরে। নিজের জীবনের সমস্ত সাফল্য অর্জন করার আগে বা পরে, মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবার চলে আসেন এই মন্দিরে। একইভাবে মুকেশ আম্বানি যখন ফাইভ-জি চালু করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তিনি তখন এই মন্দিরে এসেছিলেন আশীর্বাদ গ্রহণ করার জন্য।

এখানে নিশ্চয়ই প্রশ্ন আসবে কেন দেশে হাজার হাজার মন্দির থাকা সত্ত্বেও মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবার এই মন্দিরে আসেন বারবার? আসলে এই মন্দিরের সঙ্গে আমমানি পরিবারের পুরনো একটি সম্পর্ক রয়েছে। মুকেশ আম্বানির পরিবার বানিয়া পরিবারের অন্তর্গত। এই পরিবারের প্রধান দেবতা ভগবান শ্রীনাথ বলে মনে করা হয়। ঠিক এই কারণে মুকেশ আম্বানি এবং তার পরিবার যে কোন শুভ কাজ করার আগেই এই মন্দিরে আছেন আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য।

আম্বানি পরিবারে এই মন্দির একটি আশ্রম তৈরি করে দিয়েছেন যার সহ-সভাপতি মুকেশ আম্বানির মা কোকিলাবেন। শুধু তাই নয় মুকেশ আম্বানি নিজের অফিসে ভগবান শ্রী নাথজির মূর্তি স্থাপন করেছেন। বলে রাখি, ভগবান শ্রীনাথজির মূর্তিকে ভগবান কৃষ্ণের শৈশব রূপকে মনে করা হয়।